ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমার বাবার একজন বন্ধু ছিল তিনি বান্ডারি ছিল তার সাথে আমার বাবা মাজারে যেত তাদের দেখে বুঝা যায় তারা বন্ড নামায পড়ে না ৷ আসতে আসতে তার বন্ধুর সাথে চলাফেরা বাদদেয় ৷ এখন একজন পিরের মুরিদ হয়েছে৷ …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার বাবার একজন বন্ধু ছিল তিনি বান্ডারি ছিল তার সাথে আমার বাবা মাজারে যেত তাদের দেখে বুঝা যায় তারা বন্ড নামায পড়ে না ৷ আসতে আসতে তার বন্ধুর সাথে চলাফেরা বাদদেয় ৷ এখন একজন পিরের মুরিদ হয়েছে৷ নাম সৈয়দ মজিবুল বশর ভান্ডারি ইউটুবে তার ভিডিও আছে দেখে ভাল পির মনে হয়৷ আমার বাবা তার অনেক ভক্ত আমার বাবা বলে তিনি অনেক দিনের কথাবলে কিন্তু আমার বাবা এক ওয়াক্ত নামায পড়েনা ৷ আর তার পিরের একটা ছবি ঘরের দেওয়ালে লাগিয়েছে সেই ছবি ছুয়ে প্রতিদিন সালাম করে আর সন্ধ্যায় ছবির সামনে আগরবাতি দরায় আর পিরকে বাবা বলে ডাকে৷ তার ব্যবহারে আমার মনেহয় তিনি শির্ক করে ৷ আমার বাবার কথায় আমার মাও এসব করে৷ তাদের বুঝিয়েছি এসব থেকে দুরে থাকতে পাচঁ ওয়াক্ত নামায পড়তে তারা বুঝেনা ৷ আর আমি পাচঁ নামায পড়ি সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করি৷ এখন আমার মা-বাবাকে নিয়ে অনেক চিন্তা না জানি ইমান হারিয়ে ফেলে কি করব দয়া করে বলবেন ৷
উত্তর
Published
দু:খজনক হলেও সত্য আপনার পিতা-মাতা বড় ধরণের শিরকের সাথে যুক্ত। যে ঈমান আছে সেই ঈমান আল্লাহর কাছে আদৌ কোন কাজে দিবে কি না সন্দেহ আছে। আপনার দায়িত্ব হলো তাদেরকে বুঝানো। তারা যেন বিগড়ে না যায় সে দিকে খেয়াল করে যথাসাধ্য বারবার বুঝাতে থাকুন যে, ইসলাম ধর্ম হলে কুরআন, হাদীস। সেখানে নামায-রোজার কথা আছে। আল্লাহ শিরক করতে নিষেধ করেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. এর হাদীসের অনুস্বরণ করতে বলেছেন। প্রয়োজনে স্থানীয় একজন আলেমের সহায়তা নিতে পারেন।