ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। একজন মানুষকে হত্যা করা হলে সেই মৃত ব্যক্তি যদি হত্যাকারীকে ক্ষমা না করে,তাহলে হত্যাকারী তওবা করলে কি সেই হত্যার গুনাহ মাফ হবে?যেহেতু বান্দার হক বান্দা না মাফ করলে আল্লাহ মা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। একজন মানুষকে হত্যা করা হলে সেই মৃত ব্যক্তি যদি হত্যাকারীকে ক্ষমা না করে,তাহলে হত্যাকারী তওবা করলে কি সেই হত্যার গুনাহ মাফ হবে?যেহেতু বান্দার হক বান্দা না মাফ করলে আল্লাহ মাফ করেন না। আর একজন মানুষের সবচেয়ে বড় হক তার জীবন। কেউ যদি তার জীবন কেড়ে নেয় তাহলে এটি বান্দার হকের পর্যায়ে পড়বে কি না?
আবার একটি হাদীসে পড়েছি, বনী ইসরাঈলের এক লোক একশ খুন করার পরেও শুধুমাত্র তওবার নিয়ত থাকার কারণে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করে দিয়েছেন। এ বিষয়টি একটু বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ।
আবার একটি হাদীসে পড়েছি, বনী ইসরাঈলের এক লোক একশ খুন করার পরেও শুধুমাত্র তওবার নিয়ত থাকার কারণে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করে দিয়েছেন। এ বিষয়টি একটু বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হত্যা একটি মহা কবীর গুনাহ। কুরআনে এসেছে একজন মানুষকে হত্যা করা মানে পুরো পৃথিবীর সকল মানুষকে হত্যা করা। হত্যা করার দুনিয়াবী শাস্তি নিহত ব্যক্তির অভিভাবকরা মাফ হবে। আর আখেরাতে শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। বান্দার হক নষ্ট করলে মুক্তি পাওয়ার উপায় হলো বান্দার কাছে মাফ চাওয়া অথবা তার হক তাকে ফিরিয়ে দেওয়া আর মৃত মানুষের হক তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া বা তার কাছে মাফ চাওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং মানুষ হত্যা করলে এই পাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হলো খাঁটি তওবা করা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, وَالَّذِينَ لا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهاً آخَرَ وَلا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلا يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَاماً يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ
يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَاناً إِلَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلاً صَالِحاً فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَكَانَ اللَّهُ غَفُوراً رَحِيماً যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে না, ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না তাদের আর যারা এসব কাজ করে তার বিরাট গুনাহের সাথে যুক্ত হয়ে পড়লো, কিয়ামতের দিন তাদের দ্বিগুন শাস্তি দেওয়া হবে এবং তারা অপমানজনকভাবে শাস্তির মধ্যে থাকবে, তবে যারা এসব গুনাহের পর তওবা করবে এবং সৎ আমল করবে আল্লাহ তাদের পাপসমূহ সওয়াবে পরিবর্তন করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াময়। সূরা ফুরকান, আয়াত ৬৮-৭০। এই আয়তে আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা ২ শ্রেণীর মানুষের পাপসমূহ সওয়াবে পরিবর্তন করে দিবেন। ১ম শ্রেণী হলো যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে না, ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না তাদের। আর ২য় শ্রেণীর হলো যারা এই তিনটি পাপ করার পরে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে তাদের। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَاناً إِلَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلاً صَالِحاً فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَكَانَ اللَّهُ غَفُوراً رَحِيماً যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে না, ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না তাদের আর যারা এসব কাজ করে তার বিরাট গুনাহের সাথে যুক্ত হয়ে পড়লো, কিয়ামতের দিন তাদের দ্বিগুন শাস্তি দেওয়া হবে এবং তারা অপমানজনকভাবে শাস্তির মধ্যে থাকবে, তবে যারা এসব গুনাহের পর তওবা করবে এবং সৎ আমল করবে আল্লাহ তাদের পাপসমূহ সওয়াবে পরিবর্তন করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াময়। সূরা ফুরকান, আয়াত ৬৮-৭০। এই আয়তে আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা ২ শ্রেণীর মানুষের পাপসমূহ সওয়াবে পরিবর্তন করে দিবেন। ১ম শ্রেণী হলো যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডাকে না, অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে না, ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না তাদের। আর ২য় শ্রেণীর হলো যারা এই তিনটি পাপ করার পরে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে তাদের। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।