ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস্সালামুআলাইকুম হুজুর, আমি খুব বিপদে আছি, আমার হাড় ক্যান্সার হয়েছিলো, এখন তা ফুসফুসে ছড়িয়েছে। তো আমার পরিবারের লোকজন আমাকে একজন হুজুরের কাছে নিয়ে গেলেন। হুজুর আমাকে ওজিফা দিলেন যার মধ্যে কো…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস্সালামুআলাইকুম হুজুর, আমি খুব বিপদে আছি, আমার হাড় ক্যান্সার হয়েছিলো, এখন তা ফুসফুসে ছড়িয়েছে। তো আমার পরিবারের লোকজন আমাকে একজন হুজুরের কাছে নিয়ে গেলেন। হুজুর আমাকে ওজিফা দিলেন যার মধ্যে কোথাও আয়াতুল কুরসি পড়ার কথা বলা হয়েছে দশ বার, কোথাও দূরুদ শরীফ এগারোবার, কোথাও একশো বার তো কোথাও পাঁচশবার। আবার কোথাও কোথাও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ১০০০ বার। তারপর কোথাও আছে সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত দশ বার। কোথাও আবার সূরা ফাতিহা সত্তর বার। তিনি ঔষধ খেতেও নিষেধ করে দিলেন!
যেখানে কিনা নবী রাসুলগনও ঔষধ খেয়েছেন!
সব মিলিয়ে বিষয়টা কেমন যেন লাগছে আমার কাছে। যেখানে পরিবারের লোকজন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে সেখানে আমার কি ভাবে কি করা উচিৎ এবং আমার অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য আমি কোন ধরনের আমল করতে পারি তা জানালে বেশ উপকৃত হতাম। আমি বিদাতি আমল করতে চাই না, তাই যতো দ্রুত সম্ভব আমাকে বিষয়টার ফয়সালা জানানোর জন্য অনুরোধ রইলো।
যেখানে কিনা নবী রাসুলগনও ঔষধ খেয়েছেন!
সব মিলিয়ে বিষয়টা কেমন যেন লাগছে আমার কাছে। যেখানে পরিবারের লোকজন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে সেখানে আমার কি ভাবে কি করা উচিৎ এবং আমার অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য আমি কোন ধরনের আমল করতে পারি তা জানালে বেশ উপকৃত হতাম। আমি বিদাতি আমল করতে চাই না, তাই যতো দ্রুত সম্ভব আমাকে বিষয়টার ফয়সালা জানানোর জন্য অনুরোধ রইলো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। অসুস্থ হলে প্রতেষেধক গ্রহন করতে হবে। সেটা ওষুধ খেয়েও হতে পারে, কুরআন-সুন্নাহ অনুমোদিত ঝাঁড়ফুক ও দুআ-দরুদ পড়ার মাধ্যমেও হতে পারে। উভয়টি একসাথেও হতে পারে। সুতরাং অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি দুআ পড়তে পারেন। সহীহ দুআগুলো জানতে পড়তে পারেন শায়েখ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি.রচিত রাহে বেলায়াত বইটি।