ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুআলাইকুম শায়েখ, ১. আমি একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। পেশাগত কারণে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির সাথে ব্যক্তিগতভাবে অথবা বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে(দেশে বিদেশে) যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। উক্ত সাক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুআলাইকুম শায়েখ,
১. আমি একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। পেশাগত কারণে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির সাথে ব্যক্তিগতভাবে অথবা বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে(দেশে বিদেশে) যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। উক্ত সাক্ষাৎকার অথবা অনুষ্ঠানসমূহ বেশিরভাগ সময় গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থে যে এতে কোম্পানি তাদের প্রচলিত ওষুধ বা নতুন কোন ওষুধের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, উপকারিতা,পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি চিকিৎসকদের অবহিত করে থাকেন। এই প্রক্রিয়া সমূহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি তাদের নির্দিষ্ট খাত হতে ব্যয় করে থাকে এবং চিকিৎসকদের বিভিন্ন সারক উপহার অথবা প্রমোশন ম্যাটেরিয়ালস দিয়ে থাকে। যেমন কলম,প্যাড,ক্যালেন্ডার, ব্যাগ, বিভিন্ন শো পিস এবং অনেক সময় বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি,ঈদের সময় শার্ট পাঞ্জাবি এবং অনেক সময় খাবারের আয়োজন ইত্যাদি। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কোন প্রকারের দাবি করা হয় না। আবার এসব প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। তাই সম্মানিত শাইখের নিকট আমার প্রশ্ন শারীঈ দৃষ্টিকোণে একজন মুসলিম চিকিৎসকের এক্ষেত্রে কি করনীয় ব্যাখ্যা করলে বিশেষভাবে উপকৃত হব। জাযাকাল্লাহ। ডা এ এস এম জাহিদ ।
১. আমি একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। পেশাগত কারণে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির সাথে ব্যক্তিগতভাবে অথবা বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে(দেশে বিদেশে) যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। উক্ত সাক্ষাৎকার অথবা অনুষ্ঠানসমূহ বেশিরভাগ সময় গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থে যে এতে কোম্পানি তাদের প্রচলিত ওষুধ বা নতুন কোন ওষুধের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, উপকারিতা,পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি চিকিৎসকদের অবহিত করে থাকেন। এই প্রক্রিয়া সমূহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি তাদের নির্দিষ্ট খাত হতে ব্যয় করে থাকে এবং চিকিৎসকদের বিভিন্ন সারক উপহার অথবা প্রমোশন ম্যাটেরিয়ালস দিয়ে থাকে। যেমন কলম,প্যাড,ক্যালেন্ডার, ব্যাগ, বিভিন্ন শো পিস এবং অনেক সময় বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি,ঈদের সময় শার্ট পাঞ্জাবি এবং অনেক সময় খাবারের আয়োজন ইত্যাদি। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কোন প্রকারের দাবি করা হয় না। আবার এসব প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। তাই সম্মানিত শাইখের নিকট আমার প্রশ্ন শারীঈ দৃষ্টিকোণে একজন মুসলিম চিকিৎসকের এক্ষেত্রে কি করনীয় ব্যাখ্যা করলে বিশেষভাবে উপকৃত হব। জাযাকাল্লাহ। ডা এ এস এম জাহিদ ।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই ধরণের প্রয়োজনীয় সেমিনারে ওষুধ কোম্পানীর অর্থায়নে অংশগ্রহণ করতে সমস্যা নেই। কারণ এটা জরুরী বিষয়। এখানে না গেলে আপনার পেশাগত কাজে সমস্যা দেখা দিবে। তবে কোম্পানীর পক্ষ থেকে যে উপহার দেয়া হয় সে বিষয়ে একটি প্রশ্নের উত্তর . আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি. দিয়েছিলেন। প্রশ্ন ও উত্তরটি দিয়ে দিলাম। প্রশ্ন: শায়েখ আসসালামু আলাইকুম । আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানি থেকে ডাক্তারদের বিভিন্ন জিনিস উপহার দেওয়া হয় । কোন ডাক্তার সেই জিনিসগুলো গ্রহণ করলে সেটা কী ঘুষ হিসেবে গণ্য হবে?
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। হ্যাঁ, এটা ঘুষ হিসাবেই গণ্য। কারণ এটা কোন কিছুর বিনিময় ছাড়াই চিকিৎসক পেয়ে থাকে এবং এই কারণে চিকিৎসক রোগীর জন্য সর্বোচ্চ উপকারী ও সহজ ঔষধ লেখার চেয়ে নিজের জন্য বা কোম্পানির জন্য অধিকউপকারী ঔষধ লিখতে প্ররোচিত হন। এ ধরণের সুবিধাগুলো সবই অনৈতিক ও হারাম।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। হ্যাঁ, এটা ঘুষ হিসাবেই গণ্য। কারণ এটা কোন কিছুর বিনিময় ছাড়াই চিকিৎসক পেয়ে থাকে এবং এই কারণে চিকিৎসক রোগীর জন্য সর্বোচ্চ উপকারী ও সহজ ঔষধ লেখার চেয়ে নিজের জন্য বা কোম্পানির জন্য অধিকউপকারী ঔষধ লিখতে প্ররোচিত হন। এ ধরণের সুবিধাগুলো সবই অনৈতিক ও হারাম।