QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম। একজন নারী সবরকমের সতর্কতা নেয়ার পরও কোন পুরুষ কর্তৃক সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের(নোংরা কথা, ইঙ্গিত, স্পর্শ ইত্যাদি) শিকার হলে সেক্ষেত্রে ইসলামিক আইনে ঐ পুরুষের শাস্তি কী? আর য…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিচার আচার • প্রশ্ন #৪৬২৮ • ভিউ: ১৮ • ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আসসালামু আলাইকুম। একজন নারী সবরকমের সতর্কতা নেয়ার পরও কোন পুরুষ কর্তৃক সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের(নোংরা কথা, ইঙ্গিত, স্পর্শ ইত্যাদি) শিকার হলে সেক্ষেত্রে ইসলামিক আইনে ঐ পুরুষের শাস্তি কী? আর য…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। একজন নারী সবরকমের সতর্কতা নেয়ার পরও কোন পুরুষ কর্তৃক সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের(নোংরা কথা, ইঙ্গিত, স্পর্শ ইত্যাদি) শিকার হলে সেক্ষেত্রে ইসলামিক আইনে ঐ পুরুষের শাস্তি কী? আর যদি উক্ত নারীর সতর্কতায় ত্রুটি থাকে (প্রত্যেক বান্দারই ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে যায়) সেক্ষেত্রে বিধান কী হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নোংরা কথা, ইঙ্গিত, স্পর্শ ইত্যাদির শিকার হলে সেক্ষেত্রে ইসলামিক আইনে নির্ধারিত কোন শাস্তি নেই, বিচারক উপযুক্ত যে কোন শাস্তি দিতে পারেন। জেল, বেত্রাঘাত ইত্যাদি। উক্ত নারীর সতর্কতায় ত্রুটি থাকলেও পুরুষের জন্য একই শাস্তির বিধান। কোন নারীর পর্দায় ত্রুটি থাকলে তকে নোংরা কথা বলা, ইঙ্গিত, স্পর্শ করার কোন সুযোগ নেই।