ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম, আমি বিগত রমজান মাসের পর দ্বীনের পথে চলার চেষ্টা করছি,আলহামদুলিল্লাহ । কিন্তু এর পূর্বে আমার সাথে একজন নন মাহরামের সাথে কথা হয় যার ফলে তার প্রতি আমার টান অনুভব হয়। এক সময় আম…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আমি বিগত রমজান মাসের পর দ্বীনের পথে চলার চেষ্টা করছি,আলহামদুলিল্লাহ । কিন্তু এর পূর্বে আমার সাথে একজন নন মাহরামের সাথে কথা হয় যার ফলে তার প্রতি আমার টান অনুভব হয়। এক সময় আমি তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করি। যখন দ্বীনের বুঝ আল্লাহ দেন (আলহামদুলিল্লাহ) এরপর থেকে তার সাথে সকল যোগাযোগ বন্ধ করার চেষ্টা করি। কিন্তু ৩/৪ মাস পেরোতেই আমার আবার তার সাথে যোগাযোগ করতে ইচ্ছে করতো। যোগাযোগ না থাকলেও,তার কথা মনে পড়ে মনে কুপ্রভৃতি চিন্তা আসতো। যেটার উপর আমার নিয়ন্ত্রণ থাকতো না। আমি আল্লাহর কাছে এটার জন্য শেফা চেয়েছি যেন এসব থেকে আমাকে মুক্তি দেন। এর মধ্যে আমি বিয়ে করে ফেলতে চেয়েছিলাম যাতে দ্বীন পালনে একটু কারো সহায়তা পাই যেহেতু বাসার দ্বীনের ব্যাপারে এত সিরিয়াস না। আমি মেয়ে মানুষ,বাসায় জানিয়েছে ১ দেড় বছর অপেক্ষা করতে। বিয়ে নিয়ে আমার ভীতিও কাজ করছে,যদি সে পুরুষ কে আমি ভুলতে না পারি, তাহলে পরবর্তীতে হয়তো সমস্যা হবে ভেবে। আমি এই কারণে অনেকটা মানসিক চাপে ছিলাম। এখন আমার কি করা উচিত?ইস্তেকারা সলাত পড়ে,ঐ ছেলে কে কি বলা উচিত যাতে বাসায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়?বলে রাখি,সে যদিও মাদ্রাসার ছাত্র ছিলো কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পড়ালেখা করেছে জেনারেল লাইনে। দ্বীন সম্পর্কে যদিও অনেক কিছু মানে কিন্তু এতটা স্ট্রিক্ট না সব বিষয়ে। কিন্তু বুঝালে বুঝে। দয়া করে সু পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো। জাযাকাল্লাহু খইরান।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালম। স্বাময়িক কিছুটা কষ্ট হলেও এই ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ায় ভালো। এ সব বিষয়ে তাদের যে অভিজ্ঞতা আছে সেগুলো আপনার নেই, তারা তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে যতটা সক্ষম, আপনি ততোটা নন। আবেগের কারণে উঠতি বয়সি ছেলে-মেয়েরা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে পরবর্তীতে জটিল সমস্যায় পড়ে যায়, যার থেকে পরিত্রান পাওয়া কষ্ট হয়ে যায়। সুতরাং পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার মধ্যেই অধিকতর কল্যান।