ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম,শাইখ আমি পেশায় একজন প্রকৌশলি,গত কয়েক মাস যাবত একটা বিষয় নিয়ে মানসিক সমস্যায় ভুগতেছি। সমস্যা সমাধানের জন্য উত্তর জানা খুবই জরুরি। আমি ৪ বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করি। শ্বশু…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম,শাইখ আমি পেশায় একজন প্রকৌশলি,গত কয়েক মাস যাবত একটা বিষয় নিয়ে মানসিক সমস্যায় ভুগতেছি। সমস্যা সমাধানের জন্য উত্তর জানা খুবই জরুরি। আমি ৪ বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করি। শ্বশুর বাড়িতে প্রথম যে দিন যায় সেই দিন থেকে আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের মুখে শুনতে থাকি আমার অমুক এতো বড়লোক তমুক ততো বড়লোক,এ সিএ পাস,ও মন্ত্রীর আত্নীয়,ঢাকায় জোড়া ফ্ল্যাট এরকম টাইপের কথা। আমি তাদের সাথে ভালো ব্যাবহার করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু তারা আমার ভালো ব্যাবহার বা সরলতা কে আমার দূর্বলতা ভাবে। এর সুযোগে আমার বিবাহিত জীবনে প্রভাব খাটাতে থাকে। আমি বা আমার বাড়ির লোক যখনি তাদের (শ্বশুর বাড়ি)বাড়িতে যায় তখন একই কথা বারবার শুনতে থাকি। কিন্তু বছর খানিক আগে জানতে পারি যে ওনারা যা বলেছে বা দাবি করেছে তার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। পুরাটাই চাপাবাজি। এখন দেখা যায় যে আমাদের যা সম্পদ আছে শ্বশুর বাড়ি বা তার স্বজনরা কিছুই না। এদের মুখে এক অন্তরে আর এক এটা কয়েকটা বিষয় দেখে বুঝেছি। এলাকার চলিত অনুযায়ী মেয়ের বিয়ের সময় মেয়ে পক্ষ ছেলে পক্ষ কে উপহার সামগ্রী প্রদান করে কিন্তু আমার বিয়ের সময় শ্বশুর বাড়ি থেকে কিছুই নেয়নি আব্বু আম্মু কে ভালো করে বুঝিয়ে ছিলাম এটা ইসলামে হারাম তারা সেটা মেনে নেয়। যখন আমার স্ত্রীর ছেলে হয় এলাকার চলিত প্রথম বাচ্চার যাবতীয় খরচ শ্বশুর বাড়ি থেকে বহন করা হয়,কিন্তু আব্বু আম্মুর মতের বিরুদ্ধে গিয়ে আমি সমস্ত বহন খরচ করি। বাচ্চা হলে বাচ্চার নানা-নানী অনেক খেলনা কিনে দেয় কিন্তু মানুষ এতটা বেসলেস আগে কখনো দেখি নাই,আজ পর্যন্ত ছেলের এমন কোন কিছুই কিনে দেয় নি। এটা আমি মেনে নিতে পারিনি। আমার স্ত্রীর যখন ডেংগু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তখন আমার কাছে কোন টাকা ছিলো না,বউ এর বড় দুই বোনের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম,হাপাতালের বিলের বড় অংশ আমার আব্বু দেয়। আর ঐ সময় আমার শ্বাশুড়ি আমার বাড়ি গিয়ে রাত দুইটার বাড়ির সবার ঘুম ভাংগিয়ে মেয়ের জন্য কাঁদতে থাকে। আব্বু আম্মুর সাথে আমার সম্পর্ক স্বাভাবিক। এ অবস্তায় আমি আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বলা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছি। মাঝে মাঝে মনে করি যার হিসাব সে দিবে আমি ভালো ব্যাবহার করে যায় কিন্তু পরক্ষনে তা মেনে নিতে পারি না। বউ এর বোনেদের সাথে ঢাকায় একই বিল্ডিং এ ভাড়া থাকি। মাঝে মাঝে স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যাবহার করি। এখন আমি কি করব?এ বিয়ষে আল্লাহর রসুলের সুন্নত কি?আব্বু-আম্মুর সাথে কি বেয়াদবি করেছি?মুখে এক অন্তরে আর এক এটা কি মুনাফিকের লক্ষন নয় কি?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ঘরের বাইরের সমস্যাকে ঘরে টেনে এনে স্ত্রীর সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন। শ্বশুর বাড়ি না গেলেও তার সাথে সৌজন্যমূলক কথা-বার্তা অব্যাহত রাখবেন। তারা যদি পাপ করে করুক, আপনি পাপ করতে যাবেন না। শ্বশুর বাড়ি থেকে কোন কিছু না নিয়ে আপনি ভালো কাজ করেছেন। আর বউ এর বোনদের সাথে যদি সম্পর্ক অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে অন্যত্র বাসা ভাড়া নিবেন। সর্বদা নামাযসহ যাবতীয় ফরজ ইবাদত যথা নিয়মে আদায় করবেন। আল্লাহ আপনার হৃদয় ও মনকে ভালো করে দিন।