QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম, আমি ১৮ বছর বয়সী একজন নারী। সম্প্রতি আমি বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।কিন্তু আমার বাবা মা সচেতন মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও আমি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে আমার বিয়ে দিতে চান না। এসবে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক • প্রশ্ন #৪৮১৩ • ভিউ: ১৩ • ০৩ এপ্রিল, ২০১৯

আসসালামু আলাইকুম, আমি ১৮ বছর বয়সী একজন নারী। সম্প্রতি আমি বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।কিন্তু আমার বাবা মা সচেতন মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও আমি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে আমার বিয়ে দিতে চান না। এসবে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আমি ১৮ বছর বয়সী একজন নারী। সম্প্রতি আমি বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।কিন্তু আমার বাবা মা সচেতন মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও আমি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে আমার বিয়ে দিতে চান না। এসবের এখনো ৬-৮ বছর বাকি।অন্যের বিয়ে বিষয়ে কথা বললেও থামিয়ে দেন।তাড়াতাড়ি বিয়ের জন্য আল্লাহর কাছে কি আমল করা যেতে পারে? এছাড়া আমার এক বিবাহযোগ্য উত্তম চরিত্রবান ও মুমিন আত্মীয় আছেন। তাকে আমি বিয়ে করতে ইচ্ছুক। বললে পরিবারে আমাকে অবজ্ঞার শিকার হতে হবে।তাই বলতেও পারছি না।এক্ষত্রে আমি কি করতে পারি?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মেয়েদের প্রতিষ্ঠিত হওয়া এগুলো নন-মুসলিম পশ্চিামাদের ধ্যান-ধারণা। দু:খজনকভাব এই নষ্ট কালচার আমাদের ভিরত ঢুকে পড়েছে। আপনি অবজ্ঞার শিকার হলেও বিয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আপনার পিতা-মাতেকে বলুন, আমি পাপ থেকে বাঁচতে চান এটা তাদেরকে ভালো করে বুঝাতে চেষ্ট করুন। বিয়ের পরও যে প্রয়োজনে পড়াশোন করা যায় এটা তাদের মাথার ভিতর ঢুকান। আর নিচে দুআগুলো নামাযের সাজদার মধ্যে, দুআ মাসুরার সময় এবং অন্যান্য যে কোন সময় বেশী বেশী পাঠ করবেন। নামাযের পর নিজের ভাষায় আপনার হৃদয়ের কথাগুলো আল্লাহর কাছে খুলে বলুন। আল্লাহ আপনার সমস্যা দূর করে দিন।