ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামুয়ালাইকুম, শাঈখ,আমার বয়স ১৪ বছর ৭ মাস। আমি ২০২০ সালের মার্চ মাসের পরে আল্লাহর অশেষ রহমতে, আল্লাহ তায়ালার থেকে হেদায়াত পাই। তারপর ইসলামের পথে এসে ইসলাম নিয়ে নানা পড়াশোনা,গবেষনা করে জান…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামুয়ালাইকুম, শাঈখ,আমার বয়স ১৪ বছর ৭ মাস। আমি ২০২০ সালের মার্চ মাসের পরে আল্লাহর অশেষ রহমতে, আল্লাহ তায়ালার থেকে হেদায়াত পাই। তারপর ইসলামের পথে এসে ইসলাম নিয়ে নানা পড়াশোনা,গবেষনা করে জানতে পারি সহীহ আকীদার পথ হলো সালাফী/আহলে হাদিস আকীদা। আমি এভাবে ক্লাস ৮ ম এ পড়ি। জেনারেল পড়ি। মাদ্রাসা না। কিন্তু আমি একটা জিনিস নিয়ে এখন খুব চিন্তিত। আর সেটা হলো আমি ইসলামের পথে আসার আগে,হেদায়াত পাওয়ার আগে,যখন দুষ্ট ছিলাম, তখন আমার মা,বাবার কাছ থেকে এবং বিভিন্ন দোকান থেকে টাকা এবং অন্যান্য জিনিস। যেমনঃচকলেট,ক্রিম চুরি করি। কিন্তু এখন আমি বুঝতে পারতেছি,এটি কত বড় জঘন্য পাপ। প্রকাশ থাকে যে,আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের একটি বক্তব্যে তিনি একটি হাদিস বলেছেন,আর এই হাদিস শোনার পর আমি মানসিকভাবে ভেংগে পড়ছি, হতাশ হয়ে পড়ছি,এবং খুব চিন্তায় আছি। হাদিসটি হলো এরুকুম,যে:ঃঃএকবার জিহাদের ময়দানে রাসুল সঃ এর একজন গোলাম,তার নাম ছিলো বিদাম,তো বিদামের গায়ে তীর লেগে মারা গেলে,সাহাবীরা বলাবলি করে যে এই সাহাবী কত ভাগ্যবান যে সে রাসূলের গোলাম ছিলো, আবার যুদ্ধে শহীদ হলো,সে তো জান্নাতি। । তখন আল্লাহর নবী বললেন,কক্ষনো না। আমি দেখছি তাকে জাহান্নামের আগুন ধরার জন্য লাফাচ্ছে। আর তার জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হলো,সে একটি জুতার ফিতা পরিমাণ জিনিস আত্মসাৎ করেছিলো। । । । । ,। এখন,আমি খুব চিন্তিত শাঈখ,আমি যে দোকানগুলো থেকে চুরি করেছি সেগুলো এখন আর হয়তো নাই। আর মা বাবাকে যদি বলি আমি তাদের মানিব্যাগ,ব্যাগ থেকে টাকা নিয়েছি আগে,তাহলে তারা আমার সাথে আর কথা বলবেনা। আমারপ্রতি বিশ্বাস হারাবে। এখন আমার প্রশ্ন,আমি যত টাকা চুরি করেছি,তত টাকা যদি তাদের পক্ষ থেকে দান করে দেই। তাহলে কি আমি দায়মুক্ত হব। আর আমিতো ছোট,আমারতো ইনকাম নেই,আমার ভয় হলো আমি যদি চাকরি বাকরি করার আগে মারা যাই!!!!
তাহলে আমি ছোট অবস্থায় আমার দায়মুক্ত হওয়ার উপায় কি?দয়া করে কুরআন হাদিসের আলোকে জানাবেন। কেনোনা আমি জাহান্নামকে খুব ভয় পাই। আর আমার জন্য দোয়া করবেন। যাতে আল্লাহ আমার হায়াত অনেক বাড়িয়ে দেন। যাতে করে চাকরি বাকরি করে,তাদের টাকা শোধ করতে পারব।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আল্লাহ আপনাকে ইসলামের পথে অটুট রাখুন। যে দোকান থেকে আপনি না বলে নিয়েছেন, সেগুলোর মধ্য থেকে য যেগুলোর কথা মনে আছে তাদেরকে তাদের টাকা পরিষোধ করে দিবেন। যাদের কথা মনে নেই, তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করবেন এবং দান সদকা করবেন আর নিজ কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। হতাশ হওয়ার কারণ নেই, অবশ্যই আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন।