ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্ন বিস্তারিত
কষ্ট করে ট্রেনে চড়ে গিয়ে কিশোর শোলাকিয়ায় নামাজ পড়া কি বেশি সওয়াব? বিশ্ব এজতেমার মুনাজাতে শরীক হওয়াতে কি বিশেষ কোন ফযীলত আছে?
উত্তর
Published
বেশি সওয়াবের আশায় ঈদের নামাজ পড়ার জন্য শোলাকিয়ায় যাওয়া একটি অনর্থক কাজ। কেননা সওয়াবের আশা করা যায় যদি সফরটি কোন নেক আমলের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। আর শোলাকিয়া গিয়ে ঈদের নামাজ পড়া কোন ইবাদত বা নেক আমল নয়। অর্থাৎ অন্যমাঠে ঈদের নামায পড়া আর শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজ পড়া সমান বিষয়। সুতরাং শোলাকিয়া ঈদের মাঠে ঈদের নামায পড়ার মধ্যে বেশি সওয়ার আছে মনে করলে বিদআত হয়ে যাবে।তবে যদি এই উদ্দেশ্যে যাওয়া হয়ে থাকে যে, ইমাম সাহেবের বয়ানের মাধ্যমে কিছু এলেম অর্জন হবে বা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বন্ধুদের সাথে সাক্ষাত করা যাবে তাহলে সওয়াবের আশা করা যায়। কেননা এই নেক আমল বা সওয়াবের কাজ। বিশ্বএজতেমার ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমনই, অর্থাৎ এজতেমায় ওয়াজ শোনার জন্য, দাওয়াতের কাজে নাম লেখানোর জন্য অথবা বড় কোন আলেম এসেছেন, তার সাথে দেখা করে সালাম দেয়া ইত্যাদি এগুলো সওয়াবের কাজ। কিন্তু এই উদ্দেশ্যে যাওয়া যে, সেখানে অনেক মানুষ দোয়া করছে ফলে উক্ত দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটা দোষণীয় এবং আপত্তিকর। কারন শেখার জন্য মানুষ লাগে, দোয়ার জন্য মানুষ লাগে না। বান্দা যখন যে অবস্থাতেই আল্লাহর কাছে একাগ্রচিত্তে চান আল্লাহ তার ডাকে সাড়ে দেন। আল্লাহ বলেন: وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُوا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ
অর্থঃ আমার বান্দা যখন আমার সম্বন্ধে তোমাকে প্রশ্ন করে আমি তো নিকটেই। প্রার্থনাকারী যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে আমি তার প্রার্থনায় সাড়া দিই। সুতরাং তারাও আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক, যাতে তারা সঠিক পথে চলতে পারে। সূরা- বাকারা, আয়াত- ১৮৬। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন।
অর্থঃ আমার বান্দা যখন আমার সম্বন্ধে তোমাকে প্রশ্ন করে আমি তো নিকটেই। প্রার্থনাকারী যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে আমি তার প্রার্থনায় সাড়া দিই। সুতরাং তারাও আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক, যাতে তারা সঠিক পথে চলতে পারে। সূরা- বাকারা, আয়াত- ১৮৬। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন।