ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম, যে ফিকহি মাসায়েল আল কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ স্পষ্ট নয়। এবং চার আলেমদের মতভেদ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেই মাসায়েল কি, যেকোনো মাযহাব মানলেই হবে নাকি সুনির্দিষ্ট মাযহাবকে মানতে হবে…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, যে ফিকহি মাসায়েল আল কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ স্পষ্ট নয়। এবং চার আলেমদের মতভেদ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেই মাসায়েল কি, যেকোনো মাযহাব মানলেই হবে নাকি সুনির্দিষ্ট মাযহাবকে মানতে হবে। এ বিষয় অনেক আলেম বলে, নিজের মনমতো মাসায়েল মানলে সেটি প্রবৃত্তির অনুসরণ হবে এবং সে কাফের হয়ে যাবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত বললে উপকৃত হবো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যে কোন মাজহাব মানলেই হবে। তবে প্রত্যেক মাজহাবের মাসলা বের করার যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু মূলনীতি আছে তাই মতভেদপূর্ণ মাসআলাগুলোতে যে কোন একটি ফিকহী মাজহাব অনুসরণ করা নিরাপদ। তবে একই মাসআলায় সুবিধা অনুযায়ী একেক সময় একেক মাজহাবের অনুসরণ করা খুবই অন্যায় কাজ, এটাই মূলত প্রবৃত্তির অনুসরণ। কাফের না হলেও ধর্মকে নিজের সুবিধামত ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত তো হবেই। একই মাসআলেত দুই ধরণের মত অনুসরণের উদাহরণ হলো, হানাফী মাজহাব অনুসারে মহিলার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতিত বিয়ে করে কোন কারণে তিন তালাক দেওয়ার পর তার সাথে আবার সংসার করার ইচ্ছা হলো। তখন সে ভাবলো যেহেতু অন্য মাজহাবগুলো অনুযায়ী মহিলার অভিভাবক ছাড়া বিয়ে হয় না, সেহেতু আগের বিয়ে হয় নি ধরে এখন আবার নতুন করে বিয়ে করবে। এই ধরণের কাজ সম্পূর্ণ অবৈধ।