ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমার একটা খুব্ জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি ইউরোপ এর একটি দেশ যার নাম হচ্ছে চেক রিপাবলিক এ থাকি। এখানে বেশির ভাগই খ্রিস্টান জনসংখ্যা। মু…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ। আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমার একটা খুব্ জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি ইউরোপ এর একটি দেশ যার নাম হচ্ছে চেক রিপাবলিক এ থাকি। এখানে বেশির ভাগই খ্রিস্টান জনসংখ্যা। মুসলিম নাই বললেই চলে পুরো দেশ ২ টা মসজিদ মাত্র
এখানে মসজিদ না থাকায় জুম্মার নামায পড়ায় হয় গত মার্চ ২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত পড়া হয়। ফরজ নামায সব রুমেই পড়া হয়। ছুটির দিন এ মাত্র ২-৩ জন এ মিলে ফরয নামায জামায়াতে পড়ি। আর কাজ এ থাকা অবস্থায় নামায কম্পানি তে পড়া হয় ৫ মিনিট টাইম দেয় ২ ঘন্টা পড় পড় অই টাইম এ ওয়াক্ত থাকলে ওযু করে খুব ই দ্রুত পড়া হয়। টাইম না থাকায় খুব ই দ্রুত নামায পড়ি সেইক্ষেত্রে নামায যে দ্রুত পড়ছে এটা কি ঠিক হচ্ছে কিনা?। কখন কখন কাজ এ থাকা অবস্থায় ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। পরে পরের নামায এর ওয়াক্ত ঢুকে যায়। তখন আমি প্রথম ওয়াক্তের নামায পড়ে তারপর ওয়াক্তের নামায পড়ি সেই ক্ষেত্রে আমি যাভাবে পড়ছি সেটা কি ঠিক হচ্ছে। ৩য় তো ফরয সালাত আদায়ের আগে একাকি যখন পরি তখন কি ইকামাত দিয়ে নামায শুরু করতে হবে নাকি তাকবীর আল্লাহু আকবার বলে শুরু করলেই হবে। স্যার খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর হাফিজাহুল্লাহ এর লেকচার সব সময় শুনা হয় আল্লাহ স্যারকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক। স্যার এর বক্তব্য শুনে আমি অনেক কিছু শিখছি বা শিখেছি
জাযাকাল্লাহ খাইরান
এখানে মসজিদ না থাকায় জুম্মার নামায পড়ায় হয় গত মার্চ ২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত পড়া হয়। ফরজ নামায সব রুমেই পড়া হয়। ছুটির দিন এ মাত্র ২-৩ জন এ মিলে ফরয নামায জামায়াতে পড়ি। আর কাজ এ থাকা অবস্থায় নামায কম্পানি তে পড়া হয় ৫ মিনিট টাইম দেয় ২ ঘন্টা পড় পড় অই টাইম এ ওয়াক্ত থাকলে ওযু করে খুব ই দ্রুত পড়া হয়। টাইম না থাকায় খুব ই দ্রুত নামায পড়ি সেইক্ষেত্রে নামায যে দ্রুত পড়ছে এটা কি ঠিক হচ্ছে কিনা?। কখন কখন কাজ এ থাকা অবস্থায় ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। পরে পরের নামায এর ওয়াক্ত ঢুকে যায়। তখন আমি প্রথম ওয়াক্তের নামায পড়ে তারপর ওয়াক্তের নামায পড়ি সেই ক্ষেত্রে আমি যাভাবে পড়ছি সেটা কি ঠিক হচ্ছে। ৩য় তো ফরয সালাত আদায়ের আগে একাকি যখন পরি তখন কি ইকামাত দিয়ে নামায শুরু করতে হবে নাকি তাকবীর আল্লাহু আকবার বলে শুরু করলেই হবে। স্যার খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর হাফিজাহুল্লাহ এর লেকচার সব সময় শুনা হয় আল্লাহ স্যারকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক। স্যার এর বক্তব্য শুনে আমি অনেক কিছু শিখছি বা শিখেছি
জাযাকাল্লাহ খাইরান
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নামায ও ইসলামী বিধানের প্রতি আপনার আগ্রহ আল্লাহ কবুল করুন। ধীর-স্থীরভাবে নামায পড়ার মত প্রয়োজনীয় সময় না পেলে আপনার এই চাকুরী ত্যাগ করা আবশ্যক। আল্লাহর এই দুনিয়াতে কাজের অভাব নেই, ইনকাম কম-বেশী হতে পারে,তবে রিযিকের ব্যবস্থা আল্লাহ করবেন। ইসলামী বিধি-বিধান পালন সর্বাগ্রে। এখানে কোন ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে তার আগে কতৃপক্ষের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করাবেন। তার যাদি ৫ ওয়াক্ত নামাযের যথেষ্ট সুযোগ দেন তাহলে থাকবেন। জুমুআর দিন তিন জন হলেই খুতবা দিয়ে জুমুআর নামায আদায় করবেন। আপনাদের মধ্যে যার ইসলামী জ্ঞান বেশী সে নামায পড়াবে।