ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আপনি জানেন যে,একজন সরকারি কর্মচারী তার আয়ের একটি জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জিপিএফ এ যে টাকা রেখে দেয়। সেখান থেকে ১৩% সুদে (নির্ধারিত রেটে) প্রতি বছর প্রতি মাসের জমাকৃত অর্থের উপর একটি লভ্য…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আপনি জানেন যে,একজন সরকারি কর্মচারী তার আয়ের একটি জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা জিপিএফ এ যে টাকা রেখে দেয়। সেখান থেকে ১৩% সুদে (নির্ধারিত রেটে) প্রতি বছর প্রতি মাসের জমাকৃত অর্থের উপর একটি লভ্যাংশ দেয়। এই লভ্যাংশ পরবর্তী বছরে বেতন থেকে জমাকৃত টাকার সাথে যুক্ত হয়ে মূলধন হিসেবে গণ্য হয়। তার উপর পরবর্তী বছরে ১৩% সুদে লভ্যাংশ দেওয়া হয়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে
১) ইসলামে এই নির্ধারিত রেটে একজন সরকারি কর্মচারী সরকার থেকে যে টাকা পান সেটা কতটুকু সহীহ বা গ্রহণযোগ্য?
২)এখানে সুদ গ্রহণের মত জঘন্য গুণাহ কি একজন কর্মচারীর হবে?
৩) যদি এখানে সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে বিধায় হালাল বা গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে জমাকৃত টাকার পরিমাণ যাকাতে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা?
৪) যাকাতের ক্ষেত্রে শুধু বেতন থেকে কর্তনকৃত টাকার যাকাত হবে নাকি মূল বেতন+ সুদের উপর হবে?
৫) আর বিভিন্নভাবে ব্যাংক লেনদেন থেকে যে সুদ দেওয়া হয়, তা দিয়ে যদি দেশের ইনকাম টেক্স বা আয়কর দেওয়া হয়, তাহলে তা কতটুকু সহীহ হবে?
উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ
১) ইসলামে এই নির্ধারিত রেটে একজন সরকারি কর্মচারী সরকার থেকে যে টাকা পান সেটা কতটুকু সহীহ বা গ্রহণযোগ্য?
২)এখানে সুদ গ্রহণের মত জঘন্য গুণাহ কি একজন কর্মচারীর হবে?
৩) যদি এখানে সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে বিধায় হালাল বা গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে জমাকৃত টাকার পরিমাণ যাকাতে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা?
৪) যাকাতের ক্ষেত্রে শুধু বেতন থেকে কর্তনকৃত টাকার যাকাত হবে নাকি মূল বেতন+ সুদের উপর হবে?
৫) আর বিভিন্নভাবে ব্যাংক লেনদেন থেকে যে সুদ দেওয়া হয়, তা দিয়ে যদি দেশের ইনকাম টেক্স বা আয়কর দেওয়া হয়, তাহলে তা কতটুকু সহীহ হবে?
উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ
উত্তর
Published
সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাধ্যতামূলকভাবে চাকরিজীবীর বেতনের যে অংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে কেটে রাখা হয় তার উপর সুদের নামে অতিরিক্ত যা দেওয়া হয় তা চাকরিজীবীর জন্য গ্রহণ করা জায়েয আছে। এটাকে সুদ বলা হলেও শরীয়তের দৃষ্টিতে তা সুদ নয়। সুতরাং এখানে সুদ গ্রহণের গুনাহ হবে না।এই টাকার যাকাত দিতে হবে না। চাকুরী শেষে এই টাকা হাতে পাওয়ার পরে থেকে যাকাত দিতে হবে। আর প্রভিডেন্ট ফান্ডে বাধ্যতামূলক অংশের অতিরিক্ত আরো টাকা নিজ থেকে কাটানো জায়েয নেই। কেউ কাটালে এ টাকার উপর যা অতিরিক্ত দেওয়া হবে তা নাজায়েয ও সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই মূল টাকার যাকাত দিতে হবে। বিভিন্নভাবে ব্যাংক লেনদেন থেকে যে সুদ দেওয়া হয়, তা দিয়ে দেশের ইনকাম টেক্স বা আয়কর দেওয়া জায়েজ হবে না। সরকার রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এগুলো নিয়ে থাকেন, সুদের টাকা এখানে দেওয়া জায়েজ নেই।