ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। অনেকে বলে মানুষ অথবা কবরে সিজদা করা জায়েজ। দলিল হিসাবে তারা বলে মানুষ সৃষ্টির শুরুতে সকল ফেরেস্ততা আদম(আ:) কে সিজদা করছিল। যেহেতুু আদম(আ:) মানুষ। সেহেতু মানুষকে সিজদা করা য…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। অনেকে বলে মানুষ অথবা কবরে সিজদা করা জায়েজ। দলিল হিসাবে তারা বলে মানুষ সৃষ্টির শুরুতে সকল ফেরেস্ততা আদম(আ:) কে সিজদা করছিল। যেহেতুু আদম(আ:) মানুষ। সেহেতু মানুষকে সিজদা করা যাবেে। এটার জবাব দিব কিভাবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মুহাম্মাদ সা. উপর যে শরীয়াহ হুকুম আহকাম এসেছে সেই অনুযায়ী কোন মানুষ কোন মানুষকে কিংবা অন্য কোন কিছুকে সাজদা করতে পারবে না। আল্লাহ বলেন, فَاسْجُدُوا لِلَّهِ وَاعْبُدُوا সুতরাং তোমরা আল্লাহকে সিজদা কর এবং ইবাদাত কর। (সূরা নাজম, আয়াত ৬২)। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
لَا يَصْلُحُ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، وَلَوْ صَلَحَ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا، مِنْ عِظَمِ حَقِّهِ عَلَيْهَا ) কোন মানুষের জন্য জায়েজ নেই কোন মানুষকে সাজদা করা, যদি কোন মানুষের জন্য কোন মানুষকে সাজদা করা জায়েজ হতো, তাহলে আমি মহিলাদরকে আদেশ করতাম তার স্বামীকে সাজদা করতে। কারণে স্ত্রীর উপর স্বামীর হক ব্যাপক। মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ১২৬১৪। হাদীসটি সহীহ। পৃথীবের সকল ইসলামী গবেষক একমত যে, আল্লাহ ছাড়া কাউকে সাজদা দেওয়া জায়েজ নেই। আদমের সাজদা দেওয়ার বিষয়ে কুরআনে যা এসেছে তা শুধু সেই সময়ের জন্য, যাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়েছিলো তাদের জন্য জায়েজ ছিলো। অন্যদের জন্য আল্লাহ বাদে কাউকে সাজদা দেয়া সম্পূর্ণ হারাম।
لَا يَصْلُحُ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، وَلَوْ صَلَحَ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا، مِنْ عِظَمِ حَقِّهِ عَلَيْهَا ) কোন মানুষের জন্য জায়েজ নেই কোন মানুষকে সাজদা করা, যদি কোন মানুষের জন্য কোন মানুষকে সাজদা করা জায়েজ হতো, তাহলে আমি মহিলাদরকে আদেশ করতাম তার স্বামীকে সাজদা করতে। কারণে স্ত্রীর উপর স্বামীর হক ব্যাপক। মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ১২৬১৪। হাদীসটি সহীহ। পৃথীবের সকল ইসলামী গবেষক একমত যে, আল্লাহ ছাড়া কাউকে সাজদা দেওয়া জায়েজ নেই। আদমের সাজদা দেওয়ার বিষয়ে কুরআনে যা এসেছে তা শুধু সেই সময়ের জন্য, যাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়েছিলো তাদের জন্য জায়েজ ছিলো। অন্যদের জন্য আল্লাহ বাদে কাউকে সাজদা দেয়া সম্পূর্ণ হারাম।