QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম, হুজুর, আমাদের গ্রামের হুজুর বলে বেনামাজীর যানাযা নামাজ কোনো খতিব পড়াতে পারবে না। তাই গ্রামে কোনো বেনামাজি মারা গেলে তিনি কঠোর ভাষায় এগুলা বলে এবং নিজে নামাজ না পড়িয়ে তার ছা…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
জানাযা-কবর যিয়ারত • প্রশ্ন #৫১৮০ • ভিউ: ৯০ • ০৪ এপ্রিল, ২০২০

আসসালামু আলাইকুম, হুজুর, আমাদের গ্রামের হুজুর বলে বেনামাজীর যানাযা নামাজ কোনো খতিব পড়াতে পারবে না। তাই গ্রামে কোনো বেনামাজি মারা গেলে তিনি কঠোর ভাষায় এগুলা বলে এবং নিজে নামাজ না পড়িয়ে তার ছা…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, হুজুর, আমাদের গ্রামের হুজুর বলে বেনামাজীর যানাযা নামাজ কোনো খতিব পড়াতে পারবে না। তাই গ্রামে কোনো বেনামাজি মারা গেলে তিনি কঠোর ভাষায় এগুলা বলে এবং নিজে নামাজ না পড়িয়ে তার ছাত্রদের বা কম জানা কাউকে দিয়ে নামাজ পড়িয়ে থাকেন। এজন্যে এই বিষয়টি নিয়ে গ্রামে অনেক সমালোচনা হয় । আমাদের গ্রামের হুজুরের এরকম কথা এবং কাজ কি ঠিক? বানামাজীর যানাযা বিষয়ে কুরআন,হাদিসের নির্দেশনা কি?
উত্তর
Published
উত্তম: ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনাদের গ্রামের হুজুর ঠিক কাজই করেন। হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, بكروا بالصلاة في يوم الغيم فإنه من ترك الصلاة فقد كفر তোমরা মেঘলা দিনে তাড়াতাড়ি নামায পড়ো, কেননা যে নামায ছেড়ে দিবে সে কাফের হয়ে যাবে। সহীহ ইবনু হিব্বান, হাদীস নং ১৪৬৩। হাদীসটি সহীহ। অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ অবশ্যই মূমিন ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মাঝে পার্থক্য হলো নামায ছেড়ে দেয়া। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬। এই সব হাদীসের ভিত্তিতে বহু আলেম বলেছেন, ইচ্ছাকৃত নামায ছেড়ে দিলে কাফের হয়ে যাবে। আবার অনেকে বলেছেন, কাফের হবে না তবে বড় গুনাহ হবে। সুতরাং ইচ্ছাকৃত যে নামায ছেড়ে দিয়েছে সেই হয় কাফের নয়তো বড় ধরণের পাপী। তাই তার সাথে স্বামী মূমিনের মত আচরণ না করা উত্তম। আপনাদের গ্রামের আলেম উত্তম কাজই করছেন।
✅