ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম। লেখাটা হয়তো বড় হবে,সময় -সুযোগ বুঝে দয়া করে সবটুকু পড়বেন এবং আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন। আমার নাম বৃষ্টি ( পাবলিক মাধ্যমে উত্তর দিলে, দয়া করে নামটি প্রকাশ করবেন না)। বয়স ১৮+,…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। লেখাটা হয়তো বড় হবে,সময় -সুযোগ বুঝে দয়া করে সবটুকু পড়বেন এবং আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন। আমার নাম বৃষ্টি ( পাবলিক মাধ্যমে উত্তর দিলে, দয়া করে নামটি প্রকাশ করবেন না)। বয়স ১৮+,এইসএসসি ক্যান্ডিডেট। জন্মের কিছু দিন বা মাস পরেই বাবা-মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। ৫-৬ (ইক্সাক্টলি মনে নেই) মায়ের সাথেই নানু বাড়ি থেকেছি। আমার বাবা(বায়োলজিক্যাল)কোনো খোঁজখবর নেন নি। তারপর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। আমার এই বাবা আমাকে নিজের ছেলেদের থেকেও অনেক বেশি ভালোবাসেন, তার আর কোনো মেয়ে নেই তো। নিজে না খেয়ে আমাকে খাওয়ান,আমার চাহিদা পূরণ করেন নিজের চাহিদার কথা না ভেবেই। আমার আর বাবার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ রিলেশন। ইভেন,আমি তাকে তুই করে বলি,সেই আমাকে ছোটবেলায় শিখিয়েছে হয়তো!আর আমার (বায়োলজিক্যাল!)পিতাকে আমি জীবনে একবার দেখেছি,তার চেহারাও মনে নেই। যাহোক,আমার সব সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন পত্র,সব কিছুতেই আমার নতুন বাবার পরিচয় দেয়া। আমি শুনেছি যে, নিজের বাবা ছাড়া অন্য কাউকে বাবা বলে পরিচয় দিলে তার স্থান জাহান্নাম। আবার আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারীও জাহান্নামে যাবে। আমি কী তবে জাহান্নামী? জন্মের সূত্রে কি আমার বায়োলজিক্যাল পিতার পরিবার আমার আত্মীয়? তাদের সাথে তো আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সাথে সম্পর্ক না থাকার কারণে কি আমি গুনাহগার?আমি তো কিছু বুঝতাম না,আমি তো আমার জন্ম নিবন্ধন পত্রে বাবার নাম দিই নি। আমার মা ও আমাকে ওসিয়ত করেছেন যাতে কোনোদিন তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখি(যদিও বা তারা সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়)। আমার এখন কি করণীয়? আমার কি কবীরা গুনাহ হচ্ছে?বিয়ের সময়ও কি বায়োলজিক্যাল পিতাকে কন্যার পিতা হিসেবে উল্লেখ করতে হয়?বায়োলজিক্যাল পিতাকেই কি প্রস্তাব দিতে হয়?নতুবা বিয়ে হয় না?এখন যেহেতু আমার সব সার্টিফিকেটে আমার নতুন বাবার নাম, সবাই সেটাই জানে,আমি এখন কি করবো?যিনি এতগুলো বছর আমাকে লালন পালন করলেন,তার কি হবে?সে তো অনেক কষ্ট পাবে..
দয়া করে আমার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিবেন। জাযাকাল্লাহ খইরন।
দয়া করে আমার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিবেন। জাযাকাল্লাহ খইরন।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার প্রকৃত বাবা তিনিই যার সূত্রে আপনি জন্মগ্রহন করেছেন। তার সম্পদের আপনি উত্তরাধিকারী হবেন। তার প্রয়োজনীয় দেখাশোনা করাও আপনার জন্য আবশ্যক। তার সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখা আপনার জন্য অতি আবশ্যক। আপনার আম্মার সাথে তার বিচ্ছদ হযেছে ঠিক, কিন্তু আপনার সাথে তার বিচ্ছেদ হওয়া সম্ভব নয়। আপনার আম্মা ক্ষোভে তার সাথে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করছেন, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা সম্পর্ক ছিন্ন করতে নিষেধ করেছেন। আপনার আব্বা আপনার দেখাশোনা, খোঁজখবর, ভরনপোষন না করে অন্যায় করেছেন, এট ঠিক, কিন্তু আপনিও কেন তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন রেখে অন্যায় করতে যাবেন? সার্টিফিকেট এখন সংশোধন করা কষ্টকর, বিয়ের কাগজ পত্রও সংশোধন করা সমস্যা, সুতরাং এগুলো এমন থাকলেও এখন থেকে আপনি পরিচয় দেওয়ার সময় প্রকৃত বাবা হিসেব আপনার জন্মদাতা বাবার পরিচয় দিবেন। লেখার সময় বাবা হিসেবে জন্মদাতা বাবার নাম লিখবেন। আর বিয়ে যেহেতু হয়ে গেছে নতুন করে বিয়ে পড়ানো লাগবে না।
আপনার মায়ের বর্তমান স্বামী আপনার প্রতি যে দয়া করেছেন অবশ্যই তার প্রতিদান আল্লাহ তায়ালা তাকে দিবেন। কোন সৎ কাজের প্রতিদান আল্লাহ নষ্ট করবেন না। তার কাছে আপনার থাকতে কোন সমস্যা নেই, তার সাথে উত্তম আচরণ করবেন। তিনি যেভাব আপনাকে আপনার অসহায় অবস্থায় সহায়তা করেছেন, আপনিও তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।কিন্তু পিতা হিসেবে ইসলাম যেহেতু তাকে স্বীকৃতি দেয় না, তাই শুধু পিতার জায়গাতে প্রকৃত পিতার পরিচয় দিবেন। আল্লাহ আমাদর হেফাজত করুন।
আপনার মায়ের বর্তমান স্বামী আপনার প্রতি যে দয়া করেছেন অবশ্যই তার প্রতিদান আল্লাহ তায়ালা তাকে দিবেন। কোন সৎ কাজের প্রতিদান আল্লাহ নষ্ট করবেন না। তার কাছে আপনার থাকতে কোন সমস্যা নেই, তার সাথে উত্তম আচরণ করবেন। তিনি যেভাব আপনাকে আপনার অসহায় অবস্থায় সহায়তা করেছেন, আপনিও তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।কিন্তু পিতা হিসেবে ইসলাম যেহেতু তাকে স্বীকৃতি দেয় না, তাই শুধু পিতার জায়গাতে প্রকৃত পিতার পরিচয় দিবেন। আল্লাহ আমাদর হেফাজত করুন।