QA As Sunnah Q&A

মসজিদে কোন বিশেষ উদ্যেশ্যে দোয়া মাহফিল শেষে তবারক দেয়া হলে আগে কাকে বিতরণ করতে হবে? ইমাম সাহেব/সবচে ছোট শিশু? আমাদের মসজিদে গত মহরমের ১০ আলোচনা করতে গিয়ে মিলাদ ও মোনাজাত শেষ হয় ৭.৩৫। শিশু মন…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
যিকির দুআ আমল • প্রশ্ন #৫৩১২ • ভিউ: ১৮ • ১৪ আগস্ট, ২০২০

মসজিদে কোন বিশেষ উদ্যেশ্যে দোয়া মাহফিল শেষে তবারক দেয়া হলে আগে কাকে বিতরণ করতে হবে? ইমাম সাহেব/সবচে ছোট শিশু? আমাদের মসজিদে গত মহরমের ১০ আলোচনা করতে গিয়ে মিলাদ ও মোনাজাত শেষ হয় ৭.৩৫। শিশু মন…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
মসজিদে কোন বিশেষ উদ্যেশ্যে দোয়া মাহফিল শেষে তবারক দেয়া হলে আগে কাকে বিতরণ করতে হবে? ইমাম সাহেব/সবচে ছোট শিশু?
আমাদের মসজিদে গত মহরমের ১০ আলোচনা করতে গিয়ে মিলাদ ও মোনাজাত শেষ হয় ৭.৩৫। শিশু মনিরা খুব ছুটাছুটি করছিল সেই বিকাল থেকে শিরনী খাওয়ার জন্য। ওদের ধৈর্য মানছিল না। ক্রমেই হৈচৈ করে যাচ্ছিল। তবারক এসে গেল সামনে। হঠাৎ কেউ বলে উঠল এখন তবারক দিলে নামায না পড়ে অনেকে চলে যাবে। তাই এশার জামাত নির্ধারিত সময় রাত ৮.২০ পরিবর্তে ৮ টায় শুরু হয়। ওদিকে শিশু মনিদের হুল্লোড়ে নামাযে মন দেয়াই কষ্টকর। ইসলামী যুক্তি কী এ বিষয়ে?
মিলাদ কিয়াম না পড়তে পারলে/ ইচ্ছাকৃত কোন খতিব না পড়তে চাইলে জুমআর নামায সেই ইমামের পেছনে পড়লে নামায হবে না? এটি কতটুকু যুক্তি সংগত?
উত্তর
Published
মিলাদ-কিয়াম কুরআন-সুন্নাহ সম্মত কোন আমল নয়। এটা ইবাদতের নামে একটা বড় ধরণের বিদআত। যদি ইমাম সাহেব এই বিদআত কাজ না করেন তাহলে তো খুবই ভালো। আর যদি এই কাজে ইমাম সাহেব জড়িতে হন তাহলে যদি সম্ভব হয় এমন মসজিদে নামায পড়বেন যে মসজিদের ইমাম সাহবে সুন্নাহ অনুযায়ী চলেন, মিলাদ-কিয়াম বা এ জাতীয় বিদআত কাজ থেকে বিরত থাকেন। যে কোন খাবরের অনুষ্ঠানে শিশুদের আগে খাওয়ানো উচিত। এটাই মানবিকতার দাবি যে, বড়রা শিশুদের আনন্দ উল্লাস, তাদের ভালো লাগার প্রতি খেয়াল রাখবে। শিশুমনের বৈধ চাহিদাগুলো পূর্ণ বড়দের কর্তব্য। আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলে আকরাম (সা.) বলেছেন,
مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا، ويَعْرِفْ حَقَ كَبِيرِنَا؛ فَليْسَ مِنَّا
আমাদের মধ্যে যারা ছোট তাদের প্রতি যে দয়া করে না এবং আমাদের মধ্যে যারা বড়ো তাদেরকে যথাযথ সম্মান করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়। সুনানু আবি দাউদ, হাদীস নং ৪৯৪৫। হাদীসটি সহীহ। সবার আগে শিশুদের খাওয়ালেই দয়া দেখানো হবে, পরে খাওয়ালে তাদের প্রতি জুলুম হবে।