QA As Sunnah Q&A

প্রশ্নটা হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধী নারীদের সাথে কি বিয়ে হয়ে যেত?আলাদা বিয়ে ছাড়া? যেটা ভিডিও তে শাইখ বলেছেন কেনা বেচার চুক্তি থাকলে আলাদা বিয়ে করা লাগে না কিন্তু যুদ্ধ বন্ধি দের সাথে তো বেচা কেন…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
সালাত • প্রশ্ন #৫৩২০ • ভিউ: ১৬ • ২২ আগস্ট, ২০২০

প্রশ্নটা হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধী নারীদের সাথে কি বিয়ে হয়ে যেত?আলাদা বিয়ে ছাড়া? যেটা ভিডিও তে শাইখ বলেছেন কেনা বেচার চুক্তি থাকলে আলাদা বিয়ে করা লাগে না কিন্তু যুদ্ধ বন্ধি দের সাথে তো বেচা কেন…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রশ্নটা হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধী নারীদের সাথে কি বিয়ে হয়ে যেত?আলাদা বিয়ে ছাড়া? যেটা ভিডিও তে শাইখ বলেছেন কেনা বেচার চুক্তি থাকলে আলাদা বিয়ে করা লাগে না কিন্তু যুদ্ধ বন্ধি দের সাথে তো বেচা কেনার কোন চুক্তি ছিল না তারা ছিল যুদ্ধ বন্ধী? তাহলে কিভাবে বিয়ে হল? দাস দাসি প্রথা নিয়ে আমি ঈমান হারা হচ্ছি, দয়াকরে আমাকে কোন সাজেশন দিন, আমি খুব ঝামেলায় আছি কোন বই পড়তে পারি? আমার নামাজ পড়তে ইচ্ছে করছে না, চেষ্টা করেও বার বার একটাই কথা মনে হচ্ছে দাস দাসি প্রথা সহবাস অবৈধ। দয়াকরে আমাকে কিছু বই suggest করুন
উত্তর
Published
ততকালীন সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিতে পতিত হন। তখন বিশ্বব্যাপী দাস-দাসীর প্রচলন ব্যপক আকারে ছিল। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধনীতি ছিল যুদ্ধে পরাজিত গোত্রের মহিলা ও শিশুরা দাস-দাসী হিসেবে গণ্য হবে। বিজয়ী বাহিনীর পক্ষ থেকে সৈন্যদের মাঝে এই মহিলাদেরকে দাসী হিসেব বন্টন করা হবে। যে সৈন্যের মালিকানায় যে মহিলাকে দাসী হিসেবে দেওয়া হতো সেই মহিলার সাথে ঐ সৈন্য ইচ্ছা করলে স্ত্রীর মত আচরন করতে পারতো। তবে সে বাদে অন্য কেউ তার সাথে স্ত্রীর মতে আচরণ করার অধিকার ছিল না। এটা ইসলাম আসার আগে থেকেই ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিলো।ইসলাম এর প্রচলন করে নি বা এটাকে ভালো প্রচলন হিসেবেও প্রচার প্রাসার করে নি বরং নির্মূলের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করছে। ইসলাম মানুষকে দাস-দাসী করতে চায় না, বরং স্বাধীনতা চায়। এই জন্য বিভিন্ন পাপের কাফফারা হিসেব দাস-দাসী আজাদ করার আদেশ করেছেন। সাহাবীরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যাপক পরিমাণে দাস-দাসী ক্রয় করে আজাদ করেছে। রাসূলুল্লাহ সা. দাস-দাসী আজাদ করার ব্যাপক সওয়াবের কথা বলেছেন। এই বিষয়ে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে এবং আপনার চিন্ত দূর করে হৃদয়কে প্রশান্ত করতে এখনই সংগ্রহ করে পড়বেন ভ্রান্তির বেড়াজালে ইসলাম নামক বইটি। লেখক সৈয়দ কুতুব। যে কোন বড় লাইব্রেরীতে পাবেন।