QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমার কয়েকটি প্রশ্ন, কত বছর বয়সে ছেলেদের জন্য জামাতে নামাজ ওয়াজিব হয়? আর জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে মা বাবার অনুমতি লাগবে কী? মা বাবা অনুমতি না দিলে বরং জামাত…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
সালাত • প্রশ্ন #৫৩৩৫ • ভিউ: ৭০ • ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমার কয়েকটি প্রশ্ন, কত বছর বয়সে ছেলেদের জন্য জামাতে নামাজ ওয়াজিব হয়? আর জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে মা বাবার অনুমতি লাগবে কী? মা বাবা অনুমতি না দিলে বরং জামাত…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমার কয়েকটি প্রশ্ন, কত বছর বয়সে ছেলেদের জন্য জামাতে নামাজ ওয়াজিব হয়? আর জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে মা বাবার অনুমতি লাগবে কী? মা বাবা অনুমতি না দিলে বরং জামাতে নামাজ আদায় করতে না করলে বা যেতে না দিলে সন্তানের করণীয় কি? আর কোন কোন সময় জামাত তরক করা যায়? আর আরেকটি প্রশ্ন, নফল রোজা রাখতে হলে কী বাবা মার অনুমতি লাগবে? যদি বাবা মা নফল রোজা রাখার অনুমতি না দেয় তবে সন্তানের করণীয় কি?
প্রশ্নগুলোর উত্তর দিলে বেশ উপকৃত হবো।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বালেগ হলে জামাতে সালাত ওয়াজিব হয়ে যায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৩-১৪ বছর বলা যেতে পারে। মুসলিম বাবা-মা তো জামাতে নামায আদায় থেকে বা নফল রোজা থেকে সন্তানদের বাঁধা দিবে না। যদি কোন হতভাগা বাবা-মা এমন করে তাহলে সন্তানদের উচিৎ হলো জামাতের গুরুত্ব, রোজার গুরুত্ব তাদেরকে বুঝানো। যদি তারা বুঝতে না চান এবং বিনা কারণে জামাতে উপস্থিত হতে বাঁধা দেয়, তাহলে সন্তান এক্ষেত্রে তাদের নির্দেশ মানত বাধ্য নন। তবে সন্তানরা পিতামাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না, বরং তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করেই আল্লাহ তায়ালার হুকুমকে অগ্রাধিকার দিবে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া নফল রোজা রাখতেও সন্তানদের নিষেধ করা যাবে না। হাদীসে আছে, আল্লাহর রাসূল সা. বলেছেন, لاَ طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةٍ إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ
আল্লাহর নাফরমানীর কাজে কাউকে আনুগত্য করা যাবে না, আনুগত্য হবে ভাল কাজে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭২৫৭।
✅