ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু ওয়ালাইকুম। আমার ২ বছরের সংসার। সম্প্রতি জানতে পারি এক নিকট আত্মীয় দ্বারা সে ধর্ষনের শিকার হয়ে আসছিল গত দেড় বছর ধরে। আমার স্ত্রী কথা হিসেবে সেই লোক তাকে একদিন তার বৌ তাদের বাসায় আমা…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু ওয়ালাইকুম। আমার ২ বছরের সংসার। সম্প্রতি জানতে পারি এক নিকট আত্মীয় দ্বারা সে ধর্ষনের শিকার হয়ে আসছিল গত দেড় বছর ধরে। আমার স্ত্রী কথা হিসেবে সেই লোক তাকে একদিন তার বৌ তাদের বাসায় আমার স্ত্রী কে যেতে বলেছে বলে ফোন জানায়। আমার বৌ গিয়ে দেখে বাসায় কেউ নেই এবং তাকে ধর্ষণ করে। তারপর ধর্ষণের ভিডিও আমাকে দেখাবে বলে ব্ল্যাকমেইল করে কিছুদিন পর পর প্রায়ই ধর্ষণ করতো।
একসময় আমার স্ত্রী প্রেগ্নেন্ট হয় সেই লোকের দ্বারা এবং ওষুধ খেয়ে গর্ভপাত করে। আমি যখন অফিসে থাকতাম অথবা আমার স্ত্রীর যখন কাজ থাকত তখন এইসব হত। আর সেই লোক সব সময় বলত সে আমার বৌকে তার বাচ্চার মত দেখে আর সম্পর্ক খুব ভালো ছিল । সে জন্য এতো দিন আমি সন্দেহ করি নি। কিছুদিন আগে সন্দেহ হলে আমি কিছু আলামত পাই এবং আবার বৌকে অনেক জোরাজুরি করার পর সে স্বীকার করে।
কিন্তু তার দাবি সেই লোক তাকে জোরপূর্বক ব্ল্যাকমেইল করে এসব করে আসতেছিল তার কোন ধরণের কোন রকম ইচ্ছা ছিল না সে ভয়ে এতো দিন কাউকে বলতে পারে নাই, সে অসহায় ছিল আমাদের সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য সব কিছু চেপে রেখেছিল কিন্তু আল্লাহর কাছে অনেক সাইট যাতে তাকে এই অবস্থা থেকে বের করে আনে। সে আমাকে ছাড়া কোথাও যাবে না। তালাক ও নিবে না। অনেক চেষ্টা করি আমি তাকে আলাদা করার জন্য কিন্তু সে বার বার বলতে থাকে আল্লাহর উপর যাতে বিস্বাস রাখি সে নিজে কিছু করে নাই।
সে কখন অন্য কোন পুরুষ এর সাথে আর কোন কথা বার্তা বলবে না। সম্পূর্ণ ইসলামিক ভাবে চলা ফেরা করবে । সবসময় আমার আনুগত্য করবে। কিন্তু আমি এইসব ঘটনা মানতে পারতেছি না। খুব কষ্ট করে আছি। এসব আসলেই জোরপূর্বক ছিল নাকি দুইজনের ইচ্ছায় হৈছে সেটাও আমি নিশ্চিত না।
১। সে যদি নিজ ইচ্ছায় না জড়ায়, আমি যদি এসব মেনে নিয়ে কষ্ট করে তাকে মাফ করে আরেকবার সুযোগ দেই তাহলে কি আল্লাহ এর বিনিময়ে আমাকে কোন উত্তম প্রতিদান দিবেন?
২। সে যদি নিজ ইচ্ছায় এইসবে জড়ায়, তাহলে আমি আল্লাহর কাছে চাই যাতে কোনভাবে আমাদের আলাদা করে দেন
এমন কি কোন আমল আছে যেগুলো করলে সে দোষী হলে আল্লাহ কোনভাবে আমাদের আলাদা করে দিবেন?
একসময় আমার স্ত্রী প্রেগ্নেন্ট হয় সেই লোকের দ্বারা এবং ওষুধ খেয়ে গর্ভপাত করে। আমি যখন অফিসে থাকতাম অথবা আমার স্ত্রীর যখন কাজ থাকত তখন এইসব হত। আর সেই লোক সব সময় বলত সে আমার বৌকে তার বাচ্চার মত দেখে আর সম্পর্ক খুব ভালো ছিল । সে জন্য এতো দিন আমি সন্দেহ করি নি। কিছুদিন আগে সন্দেহ হলে আমি কিছু আলামত পাই এবং আবার বৌকে অনেক জোরাজুরি করার পর সে স্বীকার করে।
কিন্তু তার দাবি সেই লোক তাকে জোরপূর্বক ব্ল্যাকমেইল করে এসব করে আসতেছিল তার কোন ধরণের কোন রকম ইচ্ছা ছিল না সে ভয়ে এতো দিন কাউকে বলতে পারে নাই, সে অসহায় ছিল আমাদের সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য সব কিছু চেপে রেখেছিল কিন্তু আল্লাহর কাছে অনেক সাইট যাতে তাকে এই অবস্থা থেকে বের করে আনে। সে আমাকে ছাড়া কোথাও যাবে না। তালাক ও নিবে না। অনেক চেষ্টা করি আমি তাকে আলাদা করার জন্য কিন্তু সে বার বার বলতে থাকে আল্লাহর উপর যাতে বিস্বাস রাখি সে নিজে কিছু করে নাই।
সে কখন অন্য কোন পুরুষ এর সাথে আর কোন কথা বার্তা বলবে না। সম্পূর্ণ ইসলামিক ভাবে চলা ফেরা করবে । সবসময় আমার আনুগত্য করবে। কিন্তু আমি এইসব ঘটনা মানতে পারতেছি না। খুব কষ্ট করে আছি। এসব আসলেই জোরপূর্বক ছিল নাকি দুইজনের ইচ্ছায় হৈছে সেটাও আমি নিশ্চিত না।
১। সে যদি নিজ ইচ্ছায় না জড়ায়, আমি যদি এসব মেনে নিয়ে কষ্ট করে তাকে মাফ করে আরেকবার সুযোগ দেই তাহলে কি আল্লাহ এর বিনিময়ে আমাকে কোন উত্তম প্রতিদান দিবেন?
২। সে যদি নিজ ইচ্ছায় এইসবে জড়ায়, তাহলে আমি আল্লাহর কাছে চাই যাতে কোনভাবে আমাদের আলাদা করে দেন
এমন কি কোন আমল আছে যেগুলো করলে সে দোষী হলে আল্লাহ কোনভাবে আমাদের আলাদা করে দিবেন?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি একবার সুযোগ দিন। যদি সে নিজেকে সংশোধন করে নেয় তাহলে আপনি তাকে রেখে দিতে পারেন। আর যদি উল্টো দেখেন তাহলে তালাক দেওয়ার পথে যেতে হবে আপনাকে। আল্লাহর কাছে নিজের মতো করে আপনি নিজের কথাগুলো বলবেন আর এই দুআ পড়বেন رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا