ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বয়স ২৬। আমার জন্য পারিবারিক ভাবে মেয়ে দেখছে বিয়ের জন্য। ইনশাআল্লাহ আমার খুব ইচ্ছা সুন্নতি নিয়মে ইসলামি বিধিনিষেধ মেনে বিয়ে করা। সেই নিয়তে এক দ্বীনদার…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বয়স ২৬। আমার জন্য পারিবারিক ভাবে মেয়ে দেখছে বিয়ের জন্য। ইনশাআল্লাহ আমার খুব ইচ্ছা সুন্নতি নিয়মে ইসলামি বিধিনিষেধ মেনে বিয়ে করা। সেই নিয়তে এক দ্বীনদার মেয়ে পাই। বাস্তবিক অর্থেই আসলেই দ্বীনদার খবর নিয়ে জেনেছি। আমার পরিবার সেই হিসেবে তাকে দেখতে গিয়েছিলো কিন্তু আমার পরিবারের মেয়ের দ্বীনদারিতা পছন্দ হলেও তার চেহারা পছন্দ হয় নি। আমরা আসলে মেয়ে খুজতেছি দ্বীনদার এবং কালো হলেও সমস্যা নাই কিন্তু চেহারায় যেন একটু হলেও মায়াবি থাকে, বাকী টাকা এবং বংশ থাক না থাক ব্যাপার না। তাই আমরা একটু সরে এসেছি কিন্তু তারপর থেকেই মন মানছে না কেমন জানি নিজেকে দোষী মনে হচ্ছে, মনে হচ্ছে আল্লাহ আমার উপর নারাজ হচ্ছে আমি কেন দ্বীনদারিতা ভালো দেখেও মেয়েটাকে পছন্দ করলাম না, কেন চেহারা বিচার করে চলে আসলাম? আবার মন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার জন্য মন চাচ্ছে তাকে চেহারা থাক না থাক দ্বীনদারিতার জন্য বিয়ে করে ফেলি এবং আরো বলে দেই মেয়েটা আল্লাহর রহমতে অনেক অনেক বেশী দ্বীনদার মাশা-আল্লাহ। শায়েখ দয়া করে আমাকে একটা সমাধান দিন আমি অনেক অনেক বেশী চিন্তায় আছি। আমি কিছুতেই বুঝতে পারতেছি না কি করবো না করবো দয়া করে বলবেন, আমি অনেক অনেক বেশী চিন্তায়।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। একটা মানুষ সবদিকে দিয়ে কখনো স্বয়ংস্পূর্ণ হয় না। রাসূূলুল্লাহ সা. বিবাহের ক্ষেত্রে দ্বীনদার হওয়াকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। যেহেতু আপনি বলছেন মেয়েটি দ্বীনদার তাহলে অন্যান্য ক্ষেত্রে একটু ছাড় দিয়ে আপনি বিবাহ করতে পারেন। তবে পরিবারের সাথে পরামর্শ করেই সবকিছু করবেন।