ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
হারাম মিশানো ইনকাম থাকলে কি দোয়া কবুল হবে যদি নিয়ত থাকে আস্তে আস্তে টাকা দান করে দিবো?
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
হারাম মিশানো ইনকাম থাকলে কি দোয়া কবুল হবে যদি নিয়ত থাকে আস্তে আস্তে টাকা দান করে দিবো?
উত্তর
Published
নিচের হাদীসটি লক্ষ্য করুন: عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لاَ يَقْبَلُ إِلاَّ طَيِّبًا وَإِنَّ اللَّهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِينَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِينَ فَقَالَ ( يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا إِنِّى بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ) وَقَالَ (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ) . ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ وَمَطْعَمُهُ حَرَامٌ وَمَشْرَبُهُ حَرَامٌ وَمَلْبَسُهُ حَرَامٌ وَغُذِىَ بِالْحَرَامِ فَأَنَّى يُسْتَجَابُ لِذَلِكَ হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, হে মানুষসকল, নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ব্যতীত কিছু কবুল করেন না। আর আল্লাহ তায়ালা মূমিনদের সেই নির্দেশই দিয়েছেন যে নির্দেশ তিনি তাঁর রাসূলগণদের দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, হে রাসূলগণ, তোমরা হালাল খাবার ভক্ষন করো এবং সৎ আমল করো। নিশ্চয় আমি তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবগত। । এবং আল্লাহ তায়ালা আরো বলেছেন, হে ইমানদারগণ, আমি তোমদের যে হালাল রিযিক দান করেছি তা থেকে ভক্ষন করো। এরপর রাসূলুল্লাহ সা. একজন লোকের কথা উল্লেখ করলেন, যেবহুদূর পথ সফর করে (কোন বরকতময় স্থানে দুআর জন্য) এলো, তার চুল উশকো-খুশকো, শরীর ধুলোমলিন, আকাশের দিকে দুহাত তুলে ফরিয়াদ করতে লাগলো, আয় আল্লাহ আয় মালিক! কিন্তু তার অন্ন-বস্ত্র সবই হারাম মাল থেকে আসে। হারাম মাল দ্বারাই সে প্রতিপালিত। তাহলে এই ব্যক্তির দুআ কেমন করে কবুল হবে? সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০১৫ এই হাদীসে থেকে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে, কোন অজুহাতেই হারাম ভক্ষনের কোন সুযোগ নেই। দান করার নিয়তে হারাম খাওয়া একটা শয়তানের ওয়াসওয়াসা। এর থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।