QA As Sunnah Q&A

আস-সালামু আলাইকুম। আমার আম্মু আব্বু আমাকে জোর করে আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে বিয়ে দিয়েছেন। আমি রাজি ছিলাম না, আমাকে না জানিয়ে লোক দাওয়াত করে, তাই বাধ্য হয়ে বিয়ে করতে হয়। যার সাথে বিয়ে …

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
বিবাহ-তালাক • প্রশ্ন #৫৩৯৬ • ভিউ: ৬৮ • ০৬ নভেম্বর, ২০২০

আস-সালামু আলাইকুম। আমার আম্মু আব্বু আমাকে জোর করে আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে বিয়ে দিয়েছেন। আমি রাজি ছিলাম না, আমাকে না জানিয়ে লোক দাওয়াত করে, তাই বাধ্য হয়ে বিয়ে করতে হয়। যার সাথে বিয়ে …

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। আমার আম্মু আব্বু আমাকে জোর করে আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে বিয়ে দিয়েছেন। আমি রাজি ছিলাম না, আমাকে না জানিয়ে লোক দাওয়াত করে, তাই বাধ্য হয়ে বিয়ে করতে হয়। যার সাথে বিয়ে হয়েছে সে প্রবাসী। মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে তাকে কবুল পরাইছে আর আমাকেও কবুল পরাইছে। যেহেতু বিয়েতে মত ছিল না তাই কবুল না বলে অবুল বলি, পরবর্তীতে তারা বুঝতে না পারায় আবার কবুল বলেছি ১বার, দুই বাড়ির লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তবে বিয়েটি আমি মানতে পারছি না। সে এখনো প্রবাসেই আছে। বিয়ের ৬ মাস পর ফিরবে। এক্ষেত্রে আমার তাকে ভালো না লাগায় আমাদের মাঝে সমস্যা লেগেই আছে। এক্ষেত্রে আমি জানি না বিয়ে জায়েজ হয়েছে কিনা আর যদি হয় তাহলে কি আমি তালাক চাইতে পারবো? বা আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারবো যাতে বিয়ে টা ভেঙে যায়?
উত্তর
Published
মেয়ে রাজি না থাকা অবস্থায় জোর করে বিয়ে দেওয়া একটা মূর্খতা। এই কাজ জায়েজ নয়। অধিকাংশ আলেমের মতে প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের অনুমতি ছাড়া কোন বাবা নিজের মেয়েকে বিবাহ দিতে পারবে না। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تُنْكَحُ الثَّيِّبُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ، وَلَا تُنْكَحُ البِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ، وَإِذْنُهَا الصُّمُوتُ আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত হাদীসে আল্লাহর রাসূল বলেন, ইতপূর্বে বিবাহ হয়েছিলে এমন মেয়েকে বিবাহ দেয়া যাবে না তার কাছে অনুমতি নেয়া ছাড়া, আর প্রাপ্ত বয়স্ক কুমারী মেয়েকে বিবাহ দেয়া যাবে না তার কাছে অনমুত চাওয়া ছাড়া, আর চুপ থাকাটাই তার অনুমতি দেয়া বলে গণ্য। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১১০৭। হাদীসটি সহীহ। এই হাদীসের ভিত্তিতে অধিকাংশ আলেমের মত হচ্ছে বাবা জোর করে তার মেয়েকে বিবাহ দিতে পারবে না। যদি জোর করে বিয়ে দেয় তাহলে মেয়ে চাইলে সেই বিয়ে বাতিল করতে পারবে, তালাক চাইতে পারবে।
✅