ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
Assalamualaykum Shykh. আমি একটা ঈমানি বিষয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর জানতে চাচ্ছি। রাসুল সা তওহিদ এর বাণী সবার কাছে পৌছিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমাকে একজন প্রশ্ন করেছে তিনি নারীদের কিভাবে জাহেল…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
Assalamualaykum Shykh. আমি একটা ঈমানি বিষয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর জানতে চাচ্ছি। রাসুল সা তওহিদ এর বাণী সবার কাছে পৌছিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমাকে একজন প্রশ্ন করেছে তিনি নারীদের কিভাবে জাহেলি যুগে দাওয়াত দিয়েছেন? তখন কি পর্দা ব্যাবস্থা ছিল? তিনি কি পর্দার আড়ালে থেকে দাওয়াত দিতেন? আমরা জানি রাসুল সা হলেন নিস্পাপ। তাহলে এমন সন্দেহ কি ইমান ভঙ্গ করবে? আমাকে বুঝিয়ে বলবেন যাতে আমি এই সংশয় থেকে বের হতে পারি । ২। অনেক হাদিস এ দেখি যে রাসুল সাঃ এর সাহাবিরা তাকে বলেছেন আমার বাবা মা আপনার জন্য কুরবানির হোক।এর ব্যখ্যা কি?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এটা মূলত ঈমানী বিষয় নয়, আমলী বিষয়। রাসূলুল্লাহ সা. এর তাওহীদ পৌঁছানোর আমল কেমন ছিল সেটা জানার বিষয়। প্রথম কথা হলো তাওহীদের বাণী কারো কাছে পৌঁছাতে তার মুখ, চেহারা দেখার প্রয়োজন নেই।তাওহীদের বাণী কোনভাবে মানুষদে কাছে পৌঁছালেই হবে। দ্বিতীয় কথা হলো ইসলামের প্রথম যুগে পর্দা ফরজ ছিল না, তখন পর্দা ছাড়ায় মেয়েদেরকে দাওয়াত দেওয়ার সুযোগ ছিল। পরে যখন পর্দা ফরজ হয়েছে তখন মহিলা সাহাবীরা পর্দা মেনে রাসূলুল্লাহ সা. এর সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলেছেন।রাসূলুল্লাহ সা. নিস্পাপ। যখন যেমন আল্লাহর বিধান ছিল তেমনভাবে কাজ করেছেন, এই বিশ্বাস রাখবেন। সন্দেহ করার দরকার নেই, বুঝতে সমস্যা হলে বুঝে নিবেন। রাসূলুল্লহা সা. কোন পাপ করেছেন এমন মনে করা অবশ্যই ইমানের মধ্যে বড় ধরণের সমস্যা তৈরী করে। ২। এটা কাউকে সম্মান করার জন্য আরব দেশের মানুষেরা ব্যবহার করে, এটা ঐ দেশের কালচার। বাংলাদেশে এই কালচার নেই।