QA As Sunnah Q&A

স্যার, আমরা অনেকে মনে করি আমাদের আল্লাহর প্রতি ঈমান আছে। অনিয়মিত হলেও নামাজ পডি। আমরা পাপ কাজ করি আবার ভাল কাজও করি। আমরা মনে করি কিযামতের দিন আল্লাহ আমার পাপের জন্য জাহান্নামের শাস্তি দিবেন…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৫৪৯৬ • ভিউ: ১২ • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

স্যার, আমরা অনেকে মনে করি আমাদের আল্লাহর প্রতি ঈমান আছে। অনিয়মিত হলেও নামাজ পডি। আমরা পাপ কাজ করি আবার ভাল কাজও করি। আমরা মনে করি কিযামতের দিন আল্লাহ আমার পাপের জন্য জাহান্নামের শাস্তি দিবেন…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
স্যার, আমরা অনেকে মনে করি আমাদের আল্লাহর প্রতি ঈমান আছে। অনিয়মিত হলেও নামাজ পডি। আমরা পাপ কাজ করি আবার ভাল কাজও করি। আমরা মনে করি কিযামতের দিন আল্লাহ আমার পাপের জন্য জাহান্নামের শাস্তি দিবেন। তারপর ভালকাজের প্রতিদান স্বরুপ শাস্তি খাটার পর আল্লাহ জান্নাত দান করবেন। আর কখনও জাহান্নামে যেতে হবে না। কিন্তু কোর আন শরিফে যারা জান্নাত অথবা জাহান্নামে যাবে তারা সেখানে অন্ততকাল থাকার কথা বলা হযেছে। এই বিষযে প্রযোজনীয কোরান হাদিসের দৃষ্টিতে আলোকপাত করলে আমরা উপকৃত হব ইনশাআল্লাহ।
উত্তর
Published
জান্নাতে প্রবেশে করল সেখানে মানুষ অনন্তকাল থাকবে। কুরআনের বহু আয়াতে এটা আছে। আর কুরআনে যেখান জাহান্নামে অনন্তকাল থাকার কথা আছে সেটা কাফের বা বিধর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। মুসলিম যদি পাপের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেও তবুও সে একসময় জান্নাতে প্রবেশ করবে, অনন্তকাল জাহান্নামে থাকবে না। জাহান্নাম থেকে বের হয়ে সর্বশেষ জান্নাতে যাওয়া সম্পর্কে হাদীসে এসেছে عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- إِنِّى لأَعْلَمُ آخِرَ أَهْلِ النَّارِ خُرُوجًا مِنْهَا وَآخِرَ أَهْلِ الْجَنَّةِ دُخُولاً الْجَنَّةَ رَجُلٌ يَخْرُجُ مِنَ النَّارِ حَبْوًا فَيَقُولُ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَهُ اذْهَبْ فَادْخُلِ الْجَنَّةَ فَيَأْتِيهَا فَيُخَيَّلُ إِلَيْهِ أَنَّهَا مَلأَى فَيَرْجِعُ فَيَقُولُ يَا رَبِّ وَجَدْتُهَا مَلأَى. فَيَقُولُ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَهُ اذْهَبْ فَادْخُلِ الْجَنَّةَ - قَالَ - فَيَأْتِيهَا فَيُخَيَّلُ إِلَيْهِ أَنَّهَا مَلأَى فَيَرْجِعُ فَيَقُولُ يَا رَبِّ وَجَدْتُهَا مَلأَى فَيَقُولُ اللَّهُ لَهُ اذْهَبْ فَادْخُلِ الْجَنَّةَ فَإِنَّ لَكَ مِثْلَ الدُّنْيَا وَعَشَرَةَ أَمْثَالِهَا أَوْ إِنَّ لَكَ عَشَرَةَ أَمْثَالِ الدُّنْيَا - قَالَ - فَيَقُولُ أَتَسْخَرُ بِى - أَوْ أَتَضْحَكُ بِى - وَأَنْتَ الْمَلِكُ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- ضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ. قَالَ فَكَانَ يُقَالُ ذَاكَ أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ مَنْزِلَةً. . আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি অবশ্যই চিনি জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভকারী সর্বশেষ জাহান্নামী ও জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বশেষ জান্নাতিকে: জনৈক ব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নাম থেকে বের হবে, আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেন: যাও জান্নাতে প্রবেশ কর, সে জান্নাতে আসবে, তাকে ধারণা দেয়া হবে জান্নাত পূর্ণ। সে ফিরে এসে বলবে: হে আমার রব আমি তা পূর্ণ পেয়েছি, অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেন: যাও জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি বলেন: সে জান্নাতে আসবে তাকে ধারণা দেয়া হবে জান্নাত পূর্ণ। সে ফিরে এসে বলবে: হে আমার রব, আমি তা পূর্ণ পেয়েছি। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলবেন: যাও জান্নাতে প্রবেশ কর, তোমার জন্য দুনিয়ার সমান ও তার দশগুণ জান্নাত রয়েছে, -অথবা তোমার জন্য দুনিয়ার দশগুণ জান্নাত রয়েছে,- তিনি বলেন: সে বলবে: হে আমার রব আপনি আমার সাথে মশকরা করছেন অথবা আমাকে নিয়ে হাসছেন অথচ আপনি বাদশাহ? তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি হাসতে, তার মাড়ির দাঁত পর্যন্ত বের হয়েছিল। তিনি বলেন: তখন বলা হত: এ হচ্ছে মর্যাদার বিবেচনায় সবচেয়ে নিম্ন জান্নাত। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং হাদীস নং ৩০৮, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬২০২।