QA As Sunnah Q&A

প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থায় যে লাভ দেয় সেটা হারাম কি?

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৫৪৯৯ • ভিউ: ১২ • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থায় যে লাভ দেয় সেটা হারাম কি?

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থায় যে লাভ দেয় সেটা হারাম কি?
উত্তর
Published
কুরআন ও সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে পৃথিবীর সকল ফকীহ, আলেম একমত যে, সুদভিত্তিক ব্যাংকে টাকা রাখলে যে লভ্যাংশ দেওয়া হয় সেটা হারাম। একজাতীয় জিনিস কম বেশী বিনিময় হলেই সেটা সুদ। সুতরাং দুনিয়াকে প্রধান্যদানকারী কোন কথিত গবেষকের গবেষণায় মন দিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। ধর্মীয় বিষয়ে ফয়সালা দিবে ইসলাম ধর্ম বিষয়ে গবেষক আলেমরা, যারা তাদের জীবনটা কুরআন-হাদীস গবেষণার পথে বিলিয়ে দিয়েছে, কথিত আধুনিক শিক্ষিত কোন গবেষক না, যারা কুরআন হাদীসের ভাষা আরবীটাও নূন্যতম জানে না। আলেমদের সিদ্ধান্তের বিপরীতে ধর্মীয় বিষয়ে সরকার কোন সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার নেই। এটা এমন একটি বিষয় যেখানে নুতন করে সিন্ধান্ত নেওয়ার বা দ্বিমত করার কোন সুযোগ নেই।