হাদিস শরীফের আলোকে আমরা জানি, রমজানে তারাবীর নামাজে খতমে কোরআন ৩/৭/১০ দিনে করা সাহাবা ও তাবেইগণদের সুন্নাত (সূত্র:- শুআবুল ইমান, ৩০৭৪/৭৬, (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, হাদিস নং - ৭৭৫৪)। অথচ, ফত…
হাসান বসরী রহি. বলেন, যে রমজান মাসে ইমামতি করবে সে যেন মানুষের সাথে কোমল আচরন করে। যদি সে (ইমাম) ধীরে ধীরে কুরআন পড়ে তাহলে সে যেন এক খতম দেয়, আর যদি দ্রুত কুরআন পড়ে তাহলে ২ খতম দেয় আর যদি দ্রুত ও ধীরের মাঝামাঝি তেলাওয়াত করে তাহলে দেড় খতম দেয়। মুসন্নাফে ইবনু আবী শায়বা, হাদীস নং ৭৭৬১। 7754- حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ ، قَالَ : دَعَا عُمَرُ الْقُرَّاءَ فِي رَمَضَانَ فَأَمَرَ أَسْرَعَهُمْ قِرَاءَةً أَنْ يَقْرَأَ ثَلاَثِينَ آيَةً وَالْوَسَطَ خَمْسة وَعِشْرِينَ آيَةً وَالْبَطِيءَ عِشْرِينَ آيَةً.
আবী উসমান বলেন, উমার রা. রমাজানের তারাবীর ইমামদেরকে ডাকলেন। এরপর দ্রুত তেলাওয়াতকারী ইমামদেরকে আদেশ করলেন প্রতি রাকআতে ৩০ আয়াত তেলাওয়াত করতে, ধীরে তেলাওয়াতকারীদেরকে ২০ আয়াত তেলাওয়াত করতে আর মাঝামাঝ তেলাওয়াতকারীদেরকে ২৫ আয়াত তেলাওয়াত করতে। মুসন্নাফে ইবনু আবী শায়বা, হাদীস নং ৭৭৫৪। প্রতি রাকআতে ২০-৩০ আয়াত তেলাওয়াত করলে অন্তত ১০ দিনে যে খতম সম্ভব নয়, কুরআন সম্পর্কে যার নূন্যতম ধারণা আছে সে ভালোভাবেই জানে। সুতরাং যখন একাকী পড়বেন তখন আপনার প্রদত্ত হাদীসগুলো মানবেন আর যখন ইমাম হবেন তখন উত্তরে উল্লেখিত হাদীস এবং ফতোয়ার কিতবের ফতোয়া মানবেন। যারা ফতোয়ার কিতাব লিখেছেন তারা সবাই জগৎ বিখ্যাত আলেম, কিছুতেই তাদের হালকাভাবে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। তারা সকল হাদীসে পড়ে একটা সিদ্ধান্তে উপনীনত হয়েছেন। আর যারা তাদের ভুল ধরার চেষ্টা করে, কুরআন-হাদীস সম্পর্কে তাদের জানা-শোনা খুবই কম বা শূণ্যের কোঠায়।