ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
সামান্য উত্তেজনা হলে বা মাঝে মাঝে শুধু ওসব বিষয় মনে হলেই অটোমেটিক লিংগ থেকে পানির মতো বের হয়। অনেকসময় এমন হলো যে মসজিদে গেলেও হাল্কা হাল্কা বের হয়,তখন ওযু করলেও একটু পরে আবার বের হবে এমন অবস…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
সামান্য উত্তেজনা হলে বা মাঝে মাঝে শুধু ওসব বিষয় মনে হলেই অটোমেটিক লিংগ থেকে পানির মতো বের হয়। অনেকসময় এমন হলো যে মসজিদে গেলেও হাল্কা হাল্কা বের হয়,তখন ওযু করলেও একটু পরে আবার বের হবে এমন অবস্থা। ঐ অবস্থায় আমার কি করা উচিত?যদি অযু করিও তাইলে আবার একটু পরেই বের হবে এমনি ওযুর মধ্যেও হয়ত হয়! আর যদি অনবরত বের হয় তখন বার বার ওযু সম্ভব না হলে এভাবে নামাজ পড়লে সেটা শুদ্ধ হবে কিনা?
উত্তর
Published
যদি উত্তেজনা বা ওসব বিষয় মনে হওয়ার কারণে পানির মত কিছু বের হয় তাহলে সেটা শরীরকে নাপাক করে দিবে, ওযু ভেঙে যাবে। নতুন করে ওযু করতে হবে। এটা কাপড়কেও নাপক করে দেয়।আর যদি সবসময় অনবরত বের হয় তাহলে সেটা রোগ হিসেবে গণ্য। তখন নামাযের ওয়াক্ত হলে ওযু করে ঐ ওয়াক্তের সকল নামায ঐ ওযু দ্বারা আদায় করতে পারবেন। পরবর্তী ওয়াক্তে আবার ওযু করতে হবে। কাপড়ের গায়ে লাগলে প্রতি ওয়াক্তে কাপড়ও পাল্টিয়ে নতুন কাপড় পরতে হবে।