ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
১/ মসজিদের মধ্যে একজন বললো ওমুক তোমাকে যেতে বলেছে, তার সন্তানকে পড়াবে। মসজিদে এরূপ দুনিয়াবি কথা কোন পর্যায়ে পড়ে (হারাম/মাকরূহ /..)? এখন আমি তাকে পড়াচ্ছি। এই পড়ানো ও সম্মানি নেওয়া কি বিশুদ্ধ …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
১/ মসজিদের মধ্যে একজন বললো ওমুক তোমাকে যেতে বলেছে, তার সন্তানকে পড়াবে। মসজিদে এরূপ দুনিয়াবি কথা কোন পর্যায়ে পড়ে (হারাম/মাকরূহ /..)? এখন আমি তাকে পড়াচ্ছি। এই পড়ানো ও সম্মানি নেওয়া কি বিশুদ্ধ হচ্ছে? ২/ আমার বাড়ির কাছেই এক ভাইয়ের একটা কম্পিউটারের দোকান(অনলাইনে বিভিন্ন কাজকর্মের)। সেখানে একদিন তার সাথে একটা বিষয়ে কথা বলার উদ্দেশ্যে গিয়ে তার ওখানে রাখা ❝চাকুরির খবর❞ পত্রিকা থেকে একটা সার্কুলার পড়ে ফেলি যেটা (ধরে নিলাম) হয়তো আমি এখান থেকে না পেলে মিস করতাম। এখন, এই আবেদনের কাজকর্ম অন্য সুবিজনক উপায়ে করা বিশুদ্ধ হবে, না তার কাছ থেকেই করতে দায়বদ্ধ হয়ে গেছি? এছাড়া ওই ঘটনার পর থেকে সচেতন হয়ে আমি নিয়মিত সার্কুলার পাওয়ার জন্য একটা মোবাইল এপস ব্যবহার শুরু করি। এখন কথা হল, এই অর্জিত সচেতনতায় আমি নিয়মিত সার্কুলার পাওয়ার যে পথ খোলা রেখেছি এসব থেকে প্রাপ্ত সার্কুলারের আবেদন নিজে নিজে বা অন্য যে-কোন সুবিধাজনক উপায়ে করা বিশুদ্ধ হবে, না ওই ভাইয়ের কাছে দায়বদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তার কাছ থেকেই সব করতে হবে? ৩/ ওই ভাইয়ের কাছ থেকে আগে কয়েকটি আবেদন করেছি। কিন্তু সে বেশি টাকা নেওয়ায় আর যেতে চাই না। প্রশ্ন হলো, তার কাছে যাওয়া আসার সুবাদে অর্জিত অভিজ্ঞতা যদি নিজে নিজে আবেদন করার বেলায় ব্যবহার করি তাহলে সেটা বিশুদ্ধ হবে?
উত্তর
Published
১। মসজিদে এমন কথা বলতে কোন সমস্যা নেই। ২। না, ঐ ভাইয়ের কাছে আপনি দায়বদ্ধ হন নি, সুতরাং তার কাছ থেকে কোন কিছু না করলেও সমস্যা নেই। ৩। জ্বী, বিশুদ্ধ হবে। শেষ কথা হলো আপনি যেভাবে চিন্তা করা শুরু করেছেন, তাতে মানসিক রোগী হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। অতিরিক্ত চিন্তা এখনই ছাড়ুন, নয়তো সমূহ বিপদ আছে।