QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ির পাশে একজন বেনামাজী আছে আমি তাকে সাহায্য করতে চাই, নামাজের কথা বলতে চাই তাকে ইসলামের দাওয়াত দিতে চাই, কিন্তু আমি তাকে বিভিন্ন কারণে প্রচন্ড অপছন্দ করি, তার সাথে আ…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবিধ • প্রশ্ন #৫৭৫০ • ভিউ: ২১ • ২৬ অক্টোবর, ২০২১

আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ির পাশে একজন বেনামাজী আছে আমি তাকে সাহায্য করতে চাই, নামাজের কথা বলতে চাই তাকে ইসলামের দাওয়াত দিতে চাই, কিন্তু আমি তাকে বিভিন্ন কারণে প্রচন্ড অপছন্দ করি, তার সাথে আ…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত

আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ির পাশে একজন বেনামাজী আছে আমি তাকে সাহায্য করতে চাই, নামাজের কথা বলতে চাই তাকে ইসলামের দাওয়াত দিতে চাই, কিন্তু আমি তাকে বিভিন্ন কারণে প্রচন্ড অপছন্দ করি, তার সাথে আমার কিছু ঝামেলা হয় এবং কথা বলি না। এ ক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি? আমি যদি কোন কারণে তার কাছে ইসলামের দাওয়াত না দিতে পারি তাহলে আল্লাহ আমাকে প্রশ্ন করবেন কিনা করলে আমি এ থেকে মুক্ত হব কিভাবে।

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দুনিয়ায় বসবাস করতে গেলে এমন দুয়েকটি সমস্যা হয়ে থাকে, তাই বলে সেই কারণে কথা-সালাম-কালাম, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ বন্ধ রাখা খুবই খারাপ কাজ। আপনি তাকে সালাম দেয়া শুরু করুন, ধীরে ধীরে জড়তা কেটে যাবে, তখন নামায রোজার কথা বলবেন।

عَنْ أَبِى أَيُّوبَ الأَنْصَارِىِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ « لاَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ يَلْتَقِيَانِ فَيُعْرِضُ هَذَا وَيُعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِى يَبْدَأُ بِالسَّلاَمِ

আবূ আইয়ূব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোন মুসলিমের জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি কথাবার্তা বলা বন্ধ রাখে। যখন তারা পরস্পর সাক্ষাৎ করে, তখন একজন এ দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং অন্যজন ওদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর তাদের দু’জনের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি সেই হবে, যে সাক্ষাৎকালে প্রথমে সালাম পেশ করবে। ” সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭২৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬০।