QA As Sunnah Q&A

আসসাামু আলাইকুম মুহতারাম। আমি নিজের ভেতর দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনুভব করছি একটা কঠিন বিষয় নিয়ে। ১৭ রাকাত ফরজ নামাজের কথা তো কুরআনে বলা নেই। আর আমাদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
কুরআন • প্রশ্ন #৫৭৮৮ • ভিউ: ২৪ • ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১

আসসাামু আলাইকুম মুহতারাম। আমি নিজের ভেতর দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনুভব করছি একটা কঠিন বিষয় নিয়ে। ১৭ রাকাত ফরজ নামাজের কথা তো কুরআনে বলা নেই। আর আমাদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো…

প্রশ্নকারী: Md . Mazbah uddin
প্রশ্ন বিস্তারিত

আসসাামু আলাইকুম মুহতারাম। আমি নিজের ভেতর দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনুভব করছি একটা কঠিন বিষয় নিয়ে। ১৭ রাকাত ফরজ নামাজের কথা তো কুরআনে বলা নেই। আর আমাদের রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো কুরআনের বাইরে কোনো কথা বলেননি। তবে আমরা যে ১৭ রাকাত নামাজ পড়ি তার দলিল কি? আমাকে একজন এরকম একটা প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে যার উত্তর আমি জানিনা। তার কাছে হাজারো যুক্তি আছে কুরআনের আলোকে। কিন্তু আমি তো হাদীস কে যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে যেয়ে কুরআনকে অবমাননা করতে পারি না। দয়া করে যদি আমাকে একটু সময় দিয়ে বলতে পারতেন তবে আমার ভেতর পরিতৃপ্ত হতো। আমি ঈমান আমল করে আনন্দিত হয়ে পারতাম। ধন্যবাদ।

উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। “রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো কুরআনের বাইরে কোনো কথা বলেননি” এ কথা কে বলেছে? রাসূলুল্লাহ সা. এর হাদীস তো প্রায় সবই কুরআনের বাইরের কথা। কুরআনে যে কথাগুলো নেই সেগুলোই হাদীসে আছে।

কুরআনে থাকলে তো আর হাদীসের প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ, রাসূল সা. যা কিছু বলেছেন বা করেছেন তা আল্লাহ তায়ালার অনুমতি ও সন্তুষ্টিতে করেছেন। এ বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلۡهَوَىٰٓ ٣ إِنۡ هُوَ إِلَّا وَحۡيٞ يُوحَىٰ অর্থাৎ “সে মনগড়া কথাও বলে না। তা তো অহী, যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয়। সূরা নাজম, আয়াত ৩ ও ৪। আর রাসূলুল্লাহ সা. যা বলেছেন বা করেছেন সে বিষয়ে তাকে অনুস্বরণ করা আমাদের উপর আবশ্যক। আল্লাহ তায়ালা বলেন, مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدۡ أَطَاعَ ٱللَّهَۖ [النساء: ٨٠] অর্থাৎ “যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে আসলে আল্লাহরই আনুগত্য করল। ” সূরা নিসা, আয়াত ৮০।

অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا অর্থাৎ, আর রসূল তোমাদেরকে যা দেন তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করেন তা হতে বিরত থাক। (সূরা হাশর ৭) আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ অর্থাৎ, বল, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর। ফলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করবেন। (সূরা আলে ইমরান ৩১)।

কুরআনে শুধু মৌলিক কথাগুলো আছে, সেগুলো ব্যাখ্যা বিশ্লেষন আল্লাহর রাসূল হাদীসে করেছেন। নামায বা সালাতের কথা শুধু কুরআনে আছে, সালাত কখন কীভাবে, কতটুকু আদায় করতে হবে, সেটা আল্লাহর রাসূল সা. মুখে বলেছেন এবং সেগুলো করে দেখিয়েছে। যাকাত, রোজা, হজ্জের ক্ষেত্রেও একই কথা। সুতরাং আপনার দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে পড়ার কোন দরকার নেই। কুরআন যেমন ইসলামের দলীল, হাদীসও তেমন ইসলামের দলীল। ১৭ রাকআত ফরজ সালাত আল্লাহর রাসূল সা. আদায় করতে বলেছেন, এটাই দলীল যে, আমরা ১৭ রাকআত সালাত ফরজ। প্রয়োজনে 01762629405 যে কোন দিন এশার পর।