QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম, আমার আত্মীয়ের একটা চালু ব্যবসা ছিল। সেখানে কর্মসংস্থান ছিল প্রায় ১০০ লোকের। তিনি অল্প বয়স থেকে নিজের জমানো টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ধীরে ধীরে এতো বড় ব্যবসার মালিক হয়েছেন।ক…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৫৭৯১ • ভিউ: ১৩ • ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১

আসসালামু আলাইকুম, আমার আত্মীয়ের একটা চালু ব্যবসা ছিল। সেখানে কর্মসংস্থান ছিল প্রায় ১০০ লোকের। তিনি অল্প বয়স থেকে নিজের জমানো টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ধীরে ধীরে এতো বড় ব্যবসার মালিক হয়েছেন।ক…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম, আমার আত্মীয়ের একটা চালু ব্যবসা ছিল। সেখানে কর্মসংস্থান ছিল প্রায় ১০০ লোকের। তিনি অল্প বয়স থেকে নিজের জমানো টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ধীরে ধীরে এতো বড় ব্যবসার মালিক হয়েছেন।

করোনার ধাক্কা সামলাতে গিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। কর্মচারীদের কয়েক মাসের বেতন দিতে পারেননি। ব্যবসা চালু করতে এবং বকেয়া বেতন ইত্যাদি দিতে তার ৩ কোটি টাকার পুঁজি দরকার। যাবতীয় স্থাবর সম্পত্তি, স্ত্রীর সোনার গয়না, গাড়ি ইত্যাদি বিক্রি করে ৯৫ লাখের মতো যোগাড় করতে পারবেন; আরও দরকার ২ কোটি টাকা।

বিনা সুদে এই টাকা কোনোভাবেই কারুর কাছ থেকে যোগাড় করতে পারছেন না। ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে সাধারণ ব্যাংক তো বটেই, দেশের প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকগুলো ইন্টারেস্ট এর হার ঠিক করে দিচ্ছে - যা প্রকাশ্য সুদ। এখন তার কি করণীয়? ধন্যবাদ।

উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বর্তমানে মানুষ কত টাকা তার কাছৈ পাবে সেটা লেখা দরকার ছিল। ব্যবসা চালু করার জন্য তো হাজার কোটি টাকাও অনেকেই ঋন নিয়ে থাকে ব্যাংক থেকে, সেটা বিবেচ্য নয়।

বর্তমান তার কাছে যতটুকু টাকা আছে সেটা দিয়ে যদি ঋন পরিষোধ সম্ভব হয়, তাহলে ঋন পরিষোধ করবে। আর এই ব্যবসা বাদ দিয়ে অন্য কোন উপার্জানের রাস্তা বের করবে, যাতে কোন পূজিঁ লাগবে না অথবা কোন সুদ ভিত্তিক ঋন নেয়া ছাড়া অল্প পূঁজিতে হয়ে যাবে। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ কোন ব্যবসা ছাড়াই জীবন ধারণ করছে, সুতরাং ব্যবসায় করতে হবে, অন্য কিছু করা যাবে না, এমন চিন্তা চেতনা থেকে বের হতে হবে।

আল্লাহকে ভয় করলে আল্লাহ বিকল্প রাস্তা বের করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। আর যদি তার কাছে যে টাকা আছে তা দ্বারা ঋন শোধ না হয় তাহলে পাওনাদারদেরকে আনুপাতিক হারে টাকা যতটা সম্ভব শোধ করে দিবে, আর তাদের কাছে অপরাগতা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে বলবে ভবিষ্যতে যদি সম্ভব হয় টাকা শোধ করে দিবে। দেখুন, টাকা যদি না থাকে পাওনাদাররা যদি দেখে তার টাকা নেই, তখন তারা চাপ দিবে না, কারণ চাপ দিয়ে তাদের কোন লাভ হবে না। পরবর্ততে যদি আল্লাহ তাকে ঋন পরিষোধের তাওফীক দেন তাহলে পূর্ণ পরিষোধ করে দিবে।