QA As Sunnah Q&A

ইসলাম কি জঙ্গীবাদকে সমর্থন করে? অনেকের মতে ইসলাম গুপ্তহত্যা, বোমা হামলা, শত্রুর ওপর হামলা করতে গিয়ে নিরীহ মানুষ মারা ইত্যাদিকে সমর্থন করে। এ ধারণা কি সঠিক? জঙ্গীরা একটি ঘটনা উল্লেখ করেন সেটা…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বাতিল ফিরকা • প্রশ্ন #৫৮০ • ভিউ: ১৯ • ৩১ আগস্ট, ২০০৭

ইসলাম কি জঙ্গীবাদকে সমর্থন করে? অনেকের মতে ইসলাম গুপ্তহত্যা, বোমা হামলা, শত্রুর ওপর হামলা করতে গিয়ে নিরীহ মানুষ মারা ইত্যাদিকে সমর্থন করে। এ ধারণা কি সঠিক? জঙ্গীরা একটি ঘটনা উল্লেখ করেন সেটা…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
ইসলাম কি জঙ্গীবাদকে সমর্থন করে? অনেকের মতে ইসলাম গুপ্তহত্যা, বোমা হামলা, শত্রুর ওপর হামলা করতে গিয়ে নিরীহ মানুষ মারা ইত্যাদিকে সমর্থন করে। এ ধারণা কি সঠিক? জঙ্গীরা একটি ঘটনা উল্লেখ করেন সেটা হল : একদা এক সাহাবী তার স্ত্রীকে হত্যা করেছিল কারণ সে রাসুল (সা) এর ব্যাপারে কটুক্তি করেছিল। অতঃপর সে রাসুল (সা) এর কাছে গিয়ে ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি সেই সাহাবীকে ধন্যবাদ জানান। তারা এর মাধ্যমে বোঝাতে চায় ইসলাম এসব হামলাকে সমর্থন করে। তাদের ধারণা অনৈসলামিক রাষ্ট্রেও এমনটা করতে কোন সমস্যা নেই, ইবনে তাইমিয়াও নাকি এমনটাই বলেছেন। দয়া করে কুরআন হাদিসের দলিলসহ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে সঠিক পথে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
উত্তর
Published
ইসলাম সন্ত্রাস, গুপ্তহত্যা বা এ জাতীয় বিচারবহির্ভূত হত্যা সমর্থন করে না। এগুলো ইসলামে হারাম। শত্রুর উপর হামলা করতে গিয়ে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা জঘণ্যতম পাপ। জঙ্গবীদ এখন ব্যপক অর্থে ব্যবহার করা হয়। ইসলামের বৈধ জিহাদকেও অনেক সময় জঙ্গীবাদ বলে চালিয়ে দেয়া হয়। তবে কোন ধরনের সন্ত্রাসমূলক কর্মকান্ড ইসলাম সমর্থন করে না। রাসূলুল্লাহ সা. এর বিরুদ্ধে যদি কেউ কটুক্তি করে আর অন্য কেউ শুনে তা সহ্য করতে না পেরে হামলা করে তাকে হত্যা করে তাহলেও হত্যাকারী ব্যক্তির বিচার হবে। তবে আদালত যদি এর সত্যতা পাই তাহলে তাকে খালাস দিবেন। তবে আদালতে তাকে যেতেই হবে। প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনাটিও সে রকম। তিনি হত্যা করার পর রাসূলুল্লাহ সা. বিচারের মাধ্যমে তাকে খালাস দিয়েছেন। মোটকথা আইন হাতে তুলে নেয়ার ক্ষমতা কারো নেই। বিচার করবে রাষ্ট্র, আদালত। বিস্তরিত জানতে দেখুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. রচিত ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ বইটি।