ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
প্রশ্নঃ আমার যৌবন কে কন্ট্রোল করি রোজা রাখার মাধ্যমে সাথে চোখের গোনাহ বলতে পারেন। যদি আমি বিয়ে না করে এভাবে নিজেকে রক্ষা করতে পারি তাহলে কি বিবাহ আমার জন্য ফরজ। আমি বিবাহ করতে চাই না, আমি সু…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রশ্নঃ আমার যৌবন কে কন্ট্রোল করি রোজা রাখার মাধ্যমে সাথে চোখের গোনাহ বলতে পারেন। যদি আমি বিয়ে না করে এভাবে নিজেকে রক্ষা করতে পারি তাহলে কি বিবাহ আমার জন্য ফরজ। আমি বিবাহ করতে চাই না, আমি সুস্থ এবং সুস্থ মস্তিষ্কের চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমি ইচ্ছার বিরুদ্ধে এটা করতে চাচ্ছি না।
উত্তর
Published
যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন, তাহলে বিবাহ আপনার জন্য ফরজ নয়। তবে বিবাহ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহকে ইচ্ছাকৃতভাব বাদ দেওয়া ভালো মুসলিমের কাজ নয়। যদি বিবাহ না করার পিছনে গ্রহনযোগ্য কোন কারণ থাকে তখন ভিন্না কথা। কিন সুস্থ মস্তিষ্কে চিন্তা করে সুন্নাহ থেকে দূরে থাকা ঠিক নয়। হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ، مَنِ اسْتَطَاعَ البَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ হে যুবকের দল! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিয়ে করার সামর্থ রাখে সে যেন তা করে নেয়। কারণ বিয়ে চোখ অবনতকারী এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজতকারী। আর যে ব্যক্তি বিয়ে করার সামর্থ রাখে না সে যেন সিয়াম রাখে। কেননা সিয়াম যৌন উত্তেজনাকে কমিয়ে দেয়’’। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫০৬৬। অন্য হাদীসে আল্লাহ রাসূল সা, বলেন, مَنْ رَزَقَهُ اللَّهُ امْرَأَةً صَالِحَةً، فَقَدْ أَعَانَهُ عَلَى شَطْرِ دِينِهِ، فَلْيَتَّقِ اللَّهَ فِي الشَّطْرِ الثَّانِي আল্লাহ যাকে সতী মহিলা দান করল তাকে দ্বীনের অর্ধেক বিষযে সাহায্য করল, অতএব বাকি অর্ধাংশের বিষয়ে যেন সে আল্লাহকে ভয় করে। ” আলমুসতাদর হাকীম, হাদীস নং ২৬৮১। হাদীসটিকে ইমাম জাহাবী সহীহ বলেছেন।