QA As Sunnah Q&A

আমার বয়স ২৭ বছর। আমার একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। সম্পর্কটা ৪ বছরের তবে আমাদের মধ্যে তেমন কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কখনোই হয় নাই। দেখা বা ফোনে কথা বলাও অনেক কম হতো। এতোদিন একটা হারাম সম্পর্কে ছিলা…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
হালাল হারাম • প্রশ্ন #৫৮৪৮ • ভিউ: ৩২ • ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আমার বয়স ২৭ বছর। আমার একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। সম্পর্কটা ৪ বছরের তবে আমাদের মধ্যে তেমন কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কখনোই হয় নাই। দেখা বা ফোনে কথা বলাও অনেক কম হতো। এতোদিন একটা হারাম সম্পর্কে ছিলা…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার বয়স ২৭ বছর। আমার একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। সম্পর্কটা ৪ বছরের তবে আমাদের মধ্যে তেমন কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কখনোই হয় নাই। দেখা বা ফোনে কথা বলাও অনেক কম হতো। এতোদিন একটা হারাম সম্পর্কে ছিলাম। আগে হারাম হালাল সম্পর্কে এতো ভাবিনি। এখন দু'জনই চাচ্ছি সম্পর্কটা কে হালাল করতে। তবে ছেলের পরিবারে সমস্যা না থাকলেও আমার পরিবারে সমস্যা আছে। আমার এক বড় আপু আছে যার এখনও বিয়ে হয় নাই। আপুর বিয়েও কেন জানি হচ্ছে না। এমন অবস্থায় আমাকে পরিবার থেকে বিয়ে দিবে না জানিয়ে দিয়েছেন। আমার বিয়ের প্রয়োজনীয়তাও আমি অনুভব করছি। অন্য দিকে ঐ হারাম সম্পর্কেও থাকতে চাচ্ছি না। আবার অনেকের কাছেই শুনেছি বাবা মায়ের অনুমতি ছাড়া নাকি বিয়ে টা সারাজীবন হারাম/অবৈধ থাকে এবং কি যে সন্তান হয় তারাও নাকি অবৈধ থাকে। এমতাবস্থায় আমরা যদি নিজেরা বিয়ে করি তাহলে তা কি হালাল হবে?
উত্তর
Published
আপনার বয়স ২৭। তাহলে আপনার বোনের বয়স তো আরো বেশী। বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে এতো বয়স হলে বিয়ে হতে বেশীরভাগ সময় সমস্যা হয়। যেহেতু আপনার বিয়ে দেয়া সম্ভব তাই আপনার বাবা-মায়ের জন্য আবশ্যক হলো আপনার বিয়ে দিয়ে দেয়া। একজনের জন্য আরেকজনকে বিপদে ফেলার কোন মানে হয় না। তবে বিয়ে বাবাকে জানিয়েই করতে হবে। অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করার অনুমিত নেই। এটা অধিকাংশ ফকীহর অভিমত। জীবন শান্তি ও সুখময় হওয়ার জন্য এটা অত্যন্ত জরুরী। হানাফী মাজহাবে অবশ্য প্রাপ্তবয়স্কনারীরা যদি অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াও বিবাহে বসে তবুও সেই বিয়ে অনুমোদিত হয়, শুদ্ধ হয়। যাইহোক, অভিভাবকদের বাদ দিয়ে বিয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যাওয়া কোন ভাবেই উচিত হবে না। আপনি আপনার বাবা-মাকে সামাজিক অবস্থার কথা বলে বুঝান, আশা করি তারা রাজি হয়ে যাবে। আর আল্লাহর কাছে বেশী করে দুআ করুন, তিনি যেন আপনার সমস্যা দূর করে দেন। আমরাও সেই দুআ করছি।