ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
১.আমি একটা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি, প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে একটি সরকারি মালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমি এখানে কারিগরি পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত আছি, আমার প্রতিষ্ঠানের টাকা পয়সা নিয়ে কোন কাজ আমাকে …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
১.আমি একটা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি, প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে একটি সরকারি মালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমি এখানে কারিগরি পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত আছি, আমার প্রতিষ্ঠানের টাকা পয়সা নিয়ে কোন কাজ আমাকে করতে হয় না, প্রতিষ্ঠানটি রিনিওয়েবল এনার্জি নিয়ে কাজ করে, আমার দায়িত্ব হচ্ছে সোলার হোম সিস্টেম, পাম্প, উন্নত চুলা, মিনি গ্রিড ইত্যাদি পরিদর্শন করা, আমার আয় কি হালাল হবে? ২.আমার প্রতিষ্ঠান আমার যাতায়াতের জন্য রিয়েল যে টিএ বিল হয় ওইটা বিল সাবমিট করতে বলে, আমি আমার পার্সোনাল টাকা দিয়ে একটা মোটরসাইকেল ক্রয় করেছি, আমি যদি সারাদিন একটা ভ্যান বা অটো রিজার্ভ নেই তাহলে আমার বিল আসবে ৮০০-১০০০ টাকা, সেই ক্ষেত্রে আমার মোটরসাইকেল এর তেল মবিল বাবদ খরচ হয় ২৫০-৩৫০ টাকা দৈনিক, আমি বিল লিখি ৫০০-৬০০ টাকা, আর আমার মোটরসাইকেল এর সার্ভিস এর জন্য প্রতিষ্ঠান কোন টাকা দেয় না, এই ক্ষেত্রে আমি যে বাড়তি টাকা লিখি এটা কি হালাল হবে? ৩. আমার কাজের সুবাদে এক জেলা থেকে আর এক জেলা, এক উপজেলা থেকে আর এক উপজেলা যেতে হয়, কোন কোন উপজেলায় ১০/১৫/২০ দিন থাকতে হয়, এই ক্ষেত্রে আমি নামাজ কত রাকাত করে আদায় করবো? যত রাকাত তত রাকাতই পড়বো নাকি শুধু ফরজ নামাজ পড়লেই হবে? নাকি মুসাফির এর নামাজ পড়তে হবে? আসাকরি উত্তর গুলো দিয়ে আমাকে সাহায্য করবেন
উত্তর
Published
১। আপনার পেশা হালাল, আয়-উপার্জন হালাল।
২। মোটরসাইকেল ভাড়া বাবাদ গ্রহনযোগ্য একটি বিল লিখলে আশা করি সমস্যা হবে না। যেমনটি বলেছেন, এটা জায়েজ হবে ইনশাআল্লাহ।
৩। আপনি যেখানে থাকেন সেখান থেকে ৭৯ কি. মি দূরে গেলে কসর করবেন। অর্থাৎ যদি একাকী নামায আদায় করেন তাহলে চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযগুলো ২ রাকআত পড়বেন। আর জামাতে ইমামের সাথে পুরো পড়বেন। এখন যেহেতু সব জায়গাতে মসজিদে আছে তাই মসজিদে জামাতের সাথে সব নামায পড়া উচিত। আর যদি ৭৯ কিলোর কম দূরত্বের কোথাও যান তাহলে স্বাভাবিক নামাযের মত অর্থাৎ পুরো নামায পড়বেন, কসর করা যাবে না। সুন্নাত নামাযগুলো সব সময় পড়া যায়, কম-বেশী করারও প্রয়োজন নেই। কসর শুধু ফরজ নামাযের ক্ষেত্রে। সময় সুযোগ থাকলে সব সময় সুন্নাত নামায পড়বেন। তবে কোন কারণে দুয়েক সময় বা সফরে সুন্নাত নামায না পড়লে কোন গুনাহ হবে না। নিয়মিত সুন্নাত সালাত ছেড়ে দেয়া ঠিক নয়। অনেক আলেম বলেছেন, নিয়মিত সুন্নাত ছাড়লে গুনাহ হয়।
২। মোটরসাইকেল ভাড়া বাবাদ গ্রহনযোগ্য একটি বিল লিখলে আশা করি সমস্যা হবে না। যেমনটি বলেছেন, এটা জায়েজ হবে ইনশাআল্লাহ।
৩। আপনি যেখানে থাকেন সেখান থেকে ৭৯ কি. মি দূরে গেলে কসর করবেন। অর্থাৎ যদি একাকী নামায আদায় করেন তাহলে চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযগুলো ২ রাকআত পড়বেন। আর জামাতে ইমামের সাথে পুরো পড়বেন। এখন যেহেতু সব জায়গাতে মসজিদে আছে তাই মসজিদে জামাতের সাথে সব নামায পড়া উচিত। আর যদি ৭৯ কিলোর কম দূরত্বের কোথাও যান তাহলে স্বাভাবিক নামাযের মত অর্থাৎ পুরো নামায পড়বেন, কসর করা যাবে না। সুন্নাত নামাযগুলো সব সময় পড়া যায়, কম-বেশী করারও প্রয়োজন নেই। কসর শুধু ফরজ নামাযের ক্ষেত্রে। সময় সুযোগ থাকলে সব সময় সুন্নাত নামায পড়বেন। তবে কোন কারণে দুয়েক সময় বা সফরে সুন্নাত নামায না পড়লে কোন গুনাহ হবে না। নিয়মিত সুন্নাত সালাত ছেড়ে দেয়া ঠিক নয়। অনেক আলেম বলেছেন, নিয়মিত সুন্নাত ছাড়লে গুনাহ হয়।