QA As Sunnah Q&A

আমি একটি মাদ্রাসার নূরানী শিক্ষক। আমি ইংরেজি, গণিত এই ২ বিষয়ে পাঠদান করি। আমাদের এখানে হিফজও বিভাগও আছে। উপরে হিফজ বিভাগ আর নিচেনূরানী বিভাগ। আমাদের মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিমকে যখন নিয়োগ ক…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
হালাল হারাম • প্রশ্ন #৫৯০৭ • ভিউ: ২২ • ০১ এপ্রিল, ২০২২

আমি একটি মাদ্রাসার নূরানী শিক্ষক। আমি ইংরেজি, গণিত এই ২ বিষয়ে পাঠদান করি। আমাদের এখানে হিফজও বিভাগও আছে। উপরে হিফজ বিভাগ আর নিচেনূরানী বিভাগ। আমাদের মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিমকে যখন নিয়োগ ক…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি একটি মাদ্রাসার নূরানী শিক্ষক। আমি ইংরেজি, গণিত এই ২ বিষয়ে পাঠদান করি। আমাদের এখানে হিফজও বিভাগও আছে। উপরে হিফজ বিভাগ আর নিচেনূরানী বিভাগ। আমাদের মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিমকে যখন নিয়োগ করা হয়,তখন তাকে বলা হয় নূরানী বিভাগও দেখাশোনা করতে হবে। যার কারণে তার বেতনও আগের হুজুরের থেকে ৪/৫ হাজার বেশি ধরা হয়। উনিও তাই যোগদান করেন।সচারচর নূরানী বিভাগে কোনো অফিসিয়াল কাজ নেই। ক্লাস করাই আমরা ৪ জন শিক্ষক। মুহতামিম মাসে ৪/৫ বার নিচে আসেন। কিছুদিন পর আমাদের এক শিক্ষক, মুহতারিমকে মাদ্রাসায় কোচিং শুরু করার ব্যাপারে বলেন, কারণ বাচ্চারা বাসায় গিয়ে তেমন পড়ালেখা করতো না। মুহতারিম বিষয়টা পরিচালকের কাছে বললে, পরিচালক সাথে সাথে বিষয়টা না করে দেয়। মুহতারিম বিষয়টি নিয়ে অনেক বার পরিচালককে বলার পর, পরিচালক রাজি হন। কোচিং এর যা আয় আসতো, তা যত জন শিক্ষক পড়াইতো, সেটা ভাগ করে নিতো। আমাদের মুহতারিমও কোচিং থেকে এক ভাগ টাকা নিতো। মানে, যদি ৩ জন শিক্ষক পড়ায়, তাহলে টাকাটা ৪ ভাগ হবে। উনি যে এই টাকাটা নেয়, এইটা কি হালাল হবে? প্রথমত, উনি কোচিং বা ক্লাস কোনোটাই করান না দ্বিতীয়ত, উনাকে বাড়তি টাকা দিয়ে নূরানী দেখাশোনার জন্যও রাখা হয়। উনার যুক্তি মতে তার এই টাকাটা হালাল।
১। উনি মাদ্রাসার প্রধান। (আগেই বলছি উনাকে বাড়তি টাকা দিয়ে এই জন্যই রাখা হইছে। এখানে আরেকটা কথা বলা ভালো, নূরানী বিভাগেও আলাদা প্রধান রয়েছে, তবে তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।)
২। কোচিং উনি শুরু করছে। (একজন প্রধান হিসেবে এটা ওনার দায়িত্ব।)
৩। ওনার একটা ফেইস ভ্যলু আছে, ওনাকে দেখে শিক্ষার্থীদের পরিবার পড়ানোর জন্য পাঠায়। ৪। ব্যবসায় সবাই ইনভেস্ট করে না। কারো কারো নামই তার ইনভেস্ট। যেমন আমরা মেধা খাটাই, আর ওনাকে দেখে দেখে স্টুডেন্ট আসে। (এটা কি আসলে একটা ব্যবসা?) সব কথার শেষ কথা, সব কষ্ট করবে নূরানী বিভাগের শিক্ষকরা, মাঝখান থেকে উনি ১ ভাগ টাকা নেয়াটা হালাল কিভাবে?
উত্তর
Published
কোচিংটা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে হচ্ছে। আর মুহতামিম সাহেব প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি পরিচালককে রাজি করিয়েছেন, এর থেকে বুঝা যায় পরিচালকের সাথে কথাবার্তা তিনি প্রথান হিসেবেই বলেছেন। সুতরাং কোচিংয়ের টাকা তার নিতে কোন সমস্যা নেই। প্রতিষ্ঠানের সবার কাজ এক হয় না। কেউ পড়ায় , কেউ পরিচালনা করে, কেউ টাকা পয়সার চিন্তা করে। সুতরাং তার কাজ পড়ানো না হলেও সমস্যা নেই। স্বাভাবিক সময়ে যেমনিভাবে তিনি প্রধান হিসেবে টাকা পাবেন, কোচিংয়ের ক্ষেত্রেও তিনি হিসেবে টাকা পাবেন। কারণ কোচিংটা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আর কোচিং ঠিক মত হচ্ছে কিনা এটা দেখার দায়িত্বও তারই। যদি আপনারা আলাদাভাবে অন্য কোথাও কোচিং করান তাহলে তিনি পাবেন না।