ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আসসালামু আলাইকুম আপনার অবসর সময়ে আমার মেসেজ টি পড়ে উত্তর দিলে খুশি হব। আমার একটি বিষয়ে দ্বিধা রয়েছে তাই আপনাদের শরনাপন্ন হওয়া। চাইনিজ আলিবাবার অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান আলি এক্সপ্র…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম আপনার অবসর সময়ে আমার মেসেজ টি পড়ে উত্তর দিলে খুশি হব। আমার একটি বিষয়ে দ্বিধা রয়েছে তাই আপনাদের শরনাপন্ন হওয়া। চাইনিজ আলিবাবার অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান আলি এক্সপ্রেস তাদের নতুন কাস্টমারদের আকর্ষণ করার জন্যে ১ম অর্ডারের ক্ষেত্রে নাম মাত্র মূল্যে (২৫০-৪০০ টাকার প্রডাক্ট ১-১০০ টাকা তে ) কিংবা কুপন দিয়ে ৪ অথবা ৫ ডলার বা তার বেশি মূল্যের প্রোডাক্ট এ ৪ ডলার ডিস্কাউন্ট দিয়ে থাকে। আমি যদি আমার নাম, ঠিকানা ফোন নাম্বার একই রেখে বারবার নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে এরকম সুবিধা ভোগ করি তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা কি জায়েজ হবে কিনা? আমার বর্তমানে কোনো টিউশন না থাকাতে টুকটাক এরকম প্রোডাক্ট কিনে বিক্রি করে পকেটখরচ জোগাড় করি। কিন্তু দ্বীনের পথে আসার পরে এ ব্যাপারটি নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে যে আমি কি হারাম আয় করতেছি কিনা। এলাকার মসজিদের এক আলেম বলল যেহেতু তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্যে এই সুবিধা দিতেছে তাই জায়েজ, অন্যদিকে ifatwa তে সরাসরি ধোকার অন্তর্গত বলে হারাম বলে দেওয়া হয়েছে। এমনতাবস্থায় আমি কিছুদিন ধরে অর্ডার দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানালে উপকৃত হব। উল্লেখ্য তারা বারবার এই অর্ডার দেওয়া বন্ধ করার জন্যে অনেক সময় ডিভাইস, আইপি ব্লক করে দেয়। এক্ষেত্রে এড্রেস মডিফাই করে অর্ডার দিলে সিস্টেম সেটা ধরতে পারে না যেমনঃ Nazirabazar, Dhaka যদি ঠিকানা হয় আমি যদি ………………..NAZIRA.BAZAR...….. ………….DHAKA...…… এরকম মডিফাই করলে অর্ডার হয়। ৫-৬ মাস ধরে টিউশন নেই তাই বেশ সমস্যায় থাকায় এভাবে অর্ডার দেওয়া। টিউশন/ অন্য কোনো আয়ের উৎস থাকলে এরকম দ্বিধানিত কাজ ছেড়ে দিতাম। জাজাকাল্লাহু খাইরান।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এদের সাথে সব ধরণের লেনদেন বন্ধ করে দিন। ২৫০-৪০০ টাকার প্রডাক্ট ১-১০০ টাকা তে দেয়া মানে তারা আপনার কাছে লসে বিক্রি করছে। এটা অস্বাভাবিক। আর এই লস অন্যদেরকে ঠকিয়ে তারা পুষিয়ে নিবে। যেটা অধিাকাংশ ইকমার্স করে থাকে। ই কমার্সে যুুক্ত হয়ে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হচ্ছে। আপনার টাকা পেয়ে আপনার অর্ডারও তারা যে কোন সময় আটকে দিতে পারে। সুতরাং অস্বাভাবিক কোন লেনদেনের মধ্যে থাকবেন না। তাহলে নিরাপদ থাকবেন, অন্যরা নিরাপদ থাকবে।
আপনি অন্য কোনভাবে আয়ের ব্যবস্থা করুন। আল্লাহ আপনার সমস্যা দূর করে দিন।