ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, আমার পিতা দুইটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ১ বছরের ছেলেকে দেখার জন্য উনার নিজ শালী কে বিয়ে করেন। ঘটনাটি আমরা জানতে পারি যখন আমাদের ভাইয়ের বয়স ৪৫ বছর প্র…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, আমার পিতা দুইটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ১ বছরের ছেলেকে দেখার জন্য উনার নিজ শালী কে বিয়ে করেন। ঘটনাটি আমরা জানতে পারি যখন আমাদের ভাইয়ের বয়স ৪৫ বছর প্রায়। অর্থাৎ আমরা ভাই বোনদের মধ্যে কখনোই তারতম্য করি নি, আমরা জানতাম ই না। কিন্তু আত্নীয় স্বজন বড় ভাইকে আগে থেকেই এই ব্যাপার গুলো জানিয়ে দেয়, যার ফলে তিনি নিজেকে নিজেই দূরে সরিয়ে রাখতেন। বড় ভাই উচ্চ পর্যায়ের সরকারি চাকুরি করেন, উপরি ইনকাম করেন। তাই ইচ্ছেমত সবাইকে টাকা পয়সা দেন। উনার পদবীর জন্য আত্নীয়রা উনাকে প্রবলভাবে প্রাধান্য দেন। ২য় বিয়ের জন্য আব্বুর প্রতি উনার যে কিছু ক্ষোভ ছিল তা আত্নীয়দের মাধ্যমে উনি উগরে দেন প্রায়ই। আত্নীয়রা আরো পাওয়ার আশায় আমাদের নামে গীবত এবং চগলখুরি করা শুরু করে। প্রতিবার এরা যখন আমাদের বাড়িতে আসে, আমাদের ঘরের দূর্বল বিষয় গুলো বড় ভাইকে বলে আর এতে করে বড় ভাই আমাদের উপর আরো চোটে যান। বাবা মার সাথেও খারাপ ব্যবহার করেন আত্নীয়দের ইন্ধনে। উল্লেখ্য, আমার বড় ভাই, আমাদের ভাইদের ব্যবসার জন্য টাকা দিয়েছেন এবং আমাদের বাসার খরচ উনিই দেন। এবং আমার প্রায় সব আত্নীয়ই গরীব বা অভাবী। যার ফলে বড় ভাইকে হাতে রাখতে আমাদের উপর নানা অপবাদ দেয়া হয়। এর মধ্যে আমার মা মারা গিয়েছেন, আমি এবং আমার বোন পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে চেষ্টা করছি। যার ফলে খালাতো ভাইদের সামনে আমার বোন, এবং ভাবীদের সামনে আমি যেতে চাই না। পর্দার কঠোরতায় আত্নীয়রা আরো বেশি হিংসাত্মক হয়ে উঠেছে। আমার ভাবীরা মিলে বড় ভাইকে বিষিয়ে তুলছে, তাই প্রতিবার কোন আত্নীয় এলে আমাদের সংসারে চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। খুব অল্প বেতনে আমি একটি চাকুরী শুরু করেছি কিছুদিন হয়েছে। আল্লাহর উপর ভরসা করে আমি আলাদা বাসা নিতে চাচ্ছি ফিৎনা ফ্যাসাদ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে। আমি চাচ্ছি, আত্নীয়দের সেই বাড়িটি না চিনানোর জন্য, অথবা প্রয়োজনে স্পষ্ট করে ফিৎনার কথা বলে তাদেরকে বাসায় আনব না বলে দেয়া। আমি আত্মীয়তার সম্পর্ক ফোন করে অথবা উনাদের বাসায় গিয়ে রাখতে চাই। ইনিয়ে বিনিয়ে , কিছু কিছু কথা সরাসরি বলেও আত্নীয়দের পূর্বে থামানো যায় নি। ক্ষতিকর আত্নীয়দের বাড়িতে আসতে নিষেধ করলে আমি কি গুনাহগার হবো, বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারি হবো?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, আত্মীয়দের থেকে শারীরিক বা মানসিক কোন ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকলে আপনি গুনাহগার হবেন না এই অবস্থায় তাদেরকে বাসায় আসতে না দেয়াতে কোন সমস্যা নেই।