QA As Sunnah Q&A

প্রতি মাসে নির্দিষ্ট খাত যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি, চাকুরিতে উন্নতি বা অন্যান্য কোন কিছুর নিয়্যাত করে যদি কোন টাকা দান করা হয়, তাহলে এটা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির সাথে সাংঘর্ষিক কিনা। এক্ষেত্রে…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
দান-সদকাহ • প্রশ্ন #৬০৪৭ • ভিউ: ২৯ • ১৯ আগস্ট, ২০২২

প্রতি মাসে নির্দিষ্ট খাত যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি, চাকুরিতে উন্নতি বা অন্যান্য কোন কিছুর নিয়্যাত করে যদি কোন টাকা দান করা হয়, তাহলে এটা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির সাথে সাংঘর্ষিক কিনা। এক্ষেত্রে…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
প্রতি মাসে নির্দিষ্ট খাত যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি, চাকুরিতে উন্নতি বা অন্যান্য কোন কিছুর নিয়্যাত করে যদি কোন টাকা দান করা হয়, তাহলে এটা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির সাথে সাংঘর্ষিক কিনা। এক্ষেত্রে নিয়্যাতটা কেমন হবে।
উত্তর
Published
প্রতি মাসে উপার্জনের একটি অংশ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করবেন। আল্লাহ তায়ালা সকল খাতে বরকত দান করবেন। নির্দিষ্ট কোন খাতের উন্নতির নিয়ত করার দরকার নেই। নিয়তের ক্ষেত্রে আখেরাতে পাওয়ার নিয়ত করতে হবে। তাহলে আল্লাহ দুনিয়া আখেরাত দুটোই দিআল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলمَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الْآخِرَةِ نَزِدْ لَهُ فِي حَرْثِهِ ۖ وَمَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الدُّنْيَا نُؤْتِهِ مِنْهَا وَمَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِن نَّصِيبٍ“যে ব্যক্তি পরকালিন ফসল চায়- তার ফসল আমরা বাড়িয়ে দেই আর যে দুনিয়ার ফসল পেতে চায় তাকে দুনিয়াতেই দান করি। পরকালে সে কিছুই পাবে না। সূরা শুরা, আয়াত ২০।

مَن كَانَ يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا نُوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَهُمْ فِيهَا وَهُمْ فِيهَا لَا يُبْخَسُونَ . أُولَٰئِكَ الَّذِينَ لَيْسَ لَهُمْ فِي الْآخِرَةِ إِلَّا النَّارُ ۖ وَحَبِطَ مَا صَنَعُوا فِيهَا وَبَاطِلٌ مَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ

যারা কেবল পার্থিব জীবন এবং তার চাকচিক্যই প্রতাশা করে তাদের কাজকর্মের যাবতীয় ফল আমরা এখানেই তাদেরকে দান করি। এ ব্যাপারে কোনো কম করা হয় না। কিন্তু পরকালে আগুন ছাড়া তাদের জন্য আর কিছুই নেই। (তখন তারা বুঝতে পারবে) পৃথিবীতে যা কিছু বানিয়েছে এবং যা কিছু করেছে, তা সবই বিফল হয়ে গেছে। সূরা হুদ, আয়াত ১৫-১৬তবে কোন বিপদ আপদ বা গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় সামনে থাকলে সেখানে আল্লাহ যেন নিরাপদ রাখেন, সঠিক ফয়সালা নেওয়ার তাওফীক দান করেন, সে উদ্দেশ্যেও দান করা যায়।

 সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে, সদকা অর্থাৎ নফল দান বিপদ আপদ থেকে মুক্ত রাখে। এবিষয়ে একটি হাদীস উল্লেখ করা হলো,


حُذَيْفَةَ قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عُمَرَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، فَقَالَ أَيُّكُمْ يَحْفَظُ قَوْلَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ قُلْتُ أَنَا كَمَا قَالَهُ قَالَ إِنَّكَ عَلَيْهِ ، أَوْ عَلَيْهَا لَجَرِيءٌ قُلْتُ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصَّوْمُ وَالصَّدَقَةُ وَالأَمْرُ وَالنَّهْيُ

অর্থ: সাহাবী হুযায়ফা রা. বলেন, আমরা উমার রা. এর কাছে বসেছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কে ফিৎনার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সা. এর হাদীস মুখস্ত রেখেছ? আমি বললাম, আমি, তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) যেভাবে বলেছেন ( সেভাবে মুখস্ত রেখেছি)। উমার রা. বললেন, তুমি তো খুব সাহসী মানুষ। আমি বললাম, (রাসূল সা. বলেছেন,) পরিবার, ধন সম্পদ, সন্তান সন্ততি এবং প্রতিবেশীদের নিয়ে মানুষ যে ফিতনা বা বিপদ আপদে পড়ে, সেগুলো দূর করে দেয় নামায, রোজা, দান সদকা, সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ । সহীহ বুখারী, হাদীস নং হাদীস নং ৫২৫। বেন।