প্রতি মাসে নির্দিষ্ট খাত যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি, চাকুরিতে উন্নতি বা অন্যান্য কোন কিছুর নিয়্যাত করে যদি কোন টাকা দান করা হয়, তাহলে এটা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির সাথে সাংঘর্ষিক কিনা। এক্ষেত্রে…
مَن كَانَ يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا نُوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَهُمْ فِيهَا وَهُمْ فِيهَا لَا يُبْخَسُونَ . أُولَٰئِكَ الَّذِينَ لَيْسَ لَهُمْ فِي الْآخِرَةِ إِلَّا النَّارُ ۖ وَحَبِطَ مَا صَنَعُوا فِيهَا وَبَاطِلٌ مَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ
যারা কেবল পার্থিব জীবন এবং তার চাকচিক্যই প্রতাশা করে তাদের কাজকর্মের যাবতীয় ফল আমরা এখানেই তাদেরকে দান করি। এ ব্যাপারে কোনো কম করা হয় না। কিন্তু পরকালে আগুন ছাড়া তাদের জন্য আর কিছুই নেই। (তখন তারা বুঝতে পারবে) পৃথিবীতে যা কিছু বানিয়েছে এবং যা কিছু করেছে, তা সবই বিফল হয়ে গেছে। সূরা হুদ, আয়াত ১৫-১৬তবে কোন বিপদ আপদ বা গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় সামনে থাকলে সেখানে আল্লাহ যেন নিরাপদ রাখেন, সঠিক ফয়সালা নেওয়ার তাওফীক দান করেন, সে উদ্দেশ্যেও দান করা যায়।
সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে, সদকা অর্থাৎ নফল দান বিপদ আপদ থেকে মুক্ত রাখে। এবিষয়ে একটি হাদীস উল্লেখ করা হলো,
حُذَيْفَةَ قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عُمَرَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، فَقَالَ أَيُّكُمْ يَحْفَظُ قَوْلَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ قُلْتُ أَنَا كَمَا قَالَهُ قَالَ إِنَّكَ عَلَيْهِ ، أَوْ عَلَيْهَا لَجَرِيءٌ قُلْتُ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصَّوْمُ وَالصَّدَقَةُ وَالأَمْرُ وَالنَّهْيُ
অর্থ: সাহাবী হুযায়ফা রা. বলেন, আমরা উমার রা. এর কাছে বসেছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কে ফিৎনার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সা. এর হাদীস মুখস্ত রেখেছ? আমি বললাম, আমি, তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) যেভাবে বলেছেন ( সেভাবে মুখস্ত রেখেছি)। উমার রা. বললেন, তুমি তো খুব সাহসী মানুষ। আমি বললাম, (রাসূল সা. বলেছেন,) পরিবার, ধন সম্পদ, সন্তান সন্ততি এবং প্রতিবেশীদের নিয়ে মানুষ যে ফিতনা বা বিপদ আপদে পড়ে, সেগুলো দূর করে দেয় নামায, রোজা, দান সদকা, সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ । সহীহ বুখারী, হাদীস নং হাদীস নং ৫২৫। বেন।