ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি ও আমার স্ত্রী তিন জন কন্যা সন্তান এর জনক ও জননী। আমার বয়স ৪০ বছর। আমি বিগত তিন বছর আগে দাড়ি রাখি। যখন বিয়ে করি তখন দাড়ি ছিল না। এখন আমার স্ত্রী বিষয়টিকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাক…
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি ও আমার স্ত্রী তিন জন কন্যা সন্তান এর জনক ও জননী। আমার বয়স ৪০ বছর। আমি বিগত তিন বছর আগে দাড়ি রাখি। যখন বিয়ে করি তখন দাড়ি ছিল না। এখন আমার স্ত্রী বিষয়টিকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাকে অনেক বুঝিয়েছি, আমার স্বল্প ইলম এ যতদূর বোঝানো যায় বুঝিয়েছি। কিন্তু মন থেকে সে এটাকে মেনে নিতে পারে নাই, এটা তার আচার আচরনে বোঝা যায়। আমার অন্যান্য ত্রুটিগুলো কে সামনে এনে দাড়ির বিষয় টাকে হেয় করার চেস্টা করে। তাকে আর কীভাবে বোঝানো যায়, যাতে আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করেন। আমি তিন সন্তানের জনক হিসেবে চাই, আমার সন্তান দ্বীনদার হিসেবে গড়ে উঠুক। কিন্তু আমার যেহেতু ৩ জন ই মেয়ে, আমার আশা ছিল তারা তার মায়ের কাছ থেকে ইসলামি আদব, নিয়ম, আমল, আখলাক রপ্ত করুক। কিন্তু কোন ১ দিন সে তার মেয়েদের নিয়ে নামাজে ও দাঁড়ায় নাই। যেহেতু ছেলে মেয়ে নামাজের নিয়ম কিছুটা ভিন্ন, সেক্ষেত্রে আমি আমাদের মেয়েদের সঠিক নামাজ শিক্ষা, ইলম শিক্ষা কিভাবে দিতে পারি। উল্লেখ্য আমার মেয়েদের বয়স যথাক্রমে ৮, ৬, ৪ বছর। ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।
উত্তর
Published
বিয়ের আগে এসব বিষয় দেখে বিয়ে করতে হয়। আপনি ধৈর্যের সাথে বুঝাতে থাকুন। কুরআন ও হাদীরে রেফারেন্স দিয়ে বুঝান। বুঝতে যতই দেরী করুক আপনার কিন্তু অবিচল থাকতে হবে, দাঁড়ি কাটা চলবে না। প্রতিদিন এশার পর বিভিন্ন ইসলামী বই বাড়ির সবাইকে নিয়ে ১০ মিনিট পড়ুন। কুরআন-হাদীসের তরজামা, সাহাবীদের জীবনী, ইসলামের জন্য তাদের কষ্ট, বিভিন্ন দুআ দরুদ, ইসলামী আকীদা ইত্যাদি বিষয় থাকতে পারে। এভাবে চেষ্ট করুন, আল্লাহর কাছে দুআ করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।