ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমি ইউরোপের একটি দেশে আছি। এখানে মোরগ জবাই করে অমুসলিমরা। অনেক সময় হালাল মোরগ পাওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে। এমতবস্তায় অপারগ হয়ে অমুসলিমদের জবাই করা মোরগ কি আমি খেতে পারি?
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমি ইউরোপের একটি দেশে আছি। এখানে মোরগ জবাই করে অমুসলিমরা। অনেক সময় হালাল মোরগ পাওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে। এমতবস্তায় অপারগ হয়ে অমুসলিমদের জবাই করা মোরগ কি আমি খেতে পারি?
উত্তর
Published
অমুসলিম যদি মুশরিক তথা মূর্তিপূজক, অগ্নিপূজনক হয়, তাহলে তার জবেহ করা কোন কিছু খাওয়া হালাল হবে না।
ইহুদী ও খৃষ্টান হলে দুটি শর্তে খাওয়া জাযেজ হবে।
১। মুসলিমদের মতো পশুর প্রয়োজনীয় অংগগুলো কেটে জবেহ করতে হবে।
২। আল্লাহর নামে জবেহ করবে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করবে না। যেমন, ঈসা আ. এর নামে জবেহ করলে খাওয়া হালাল হবে না ।
আর যদি জানা না যায় আল্লাহর নামে অর্থাৎ বিসমিল্লাহ পড়ে জবেহ করেছে নাকি না পড়ে জবেহ করেছে তাহলে খাওয়া হালাল হবে। বিসমিল্লাহ বলে খেতে হবে।
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ قَوْمًا قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ قَوْمًا يَأْتُونَنَا بِاللَّحْمِ لاَ نَدْرِي أَذَكَرُوا اسْمَ اللهِ عَلَيْهِ أَمْ لاَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم سَمُّوا اللهَ عَلَيْهِ وَكُلُوهُ
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কিছু সংখ্যক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বহু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসে আমরা জানি না, তারা বিসমিল্লাহ পড়ে যবহ করেছিল কিনা? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা এর উপর আল্লাহর নাম লও এবং তা খাও (ওয়াসওয়াসার শিকার হয়ো না)। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০৫৭
ইউরোপ বা আমেরিকায় সাধারণত ইহুদী বা খৃষ্টানরা জবেহ করেন। সুতরাং যদি জান না যায় তারা বিসমিল্লাহ পড়েছে কিনা তবুও সেখানে যেসব মুসলিম যান তাদের জন্য এই গোশত খাওয়া জায়েজ। তবে যদি কোনভাবে জানা যায় আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করেছে তাহলে সেটা খাওয়া জায়েজ হবে না আরো বিস্তারিত জানতো।