QA As Sunnah Q&A

আসসালামু আলাইকুম। হজ্জ বিষয়ে আমি একটি দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়েছি। ২০১৭ সালে আলহামদুলিল্লাহ আমি হজ পালন করেছি। ২০১৯ সালে আমার স্ত্রী ইচ্ছা জ্ঞাপন করেন যে ২০২৩ সালে আমাকে সাথে নিয়ে উনি হ…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
হজ্জ • প্রশ্ন #৬১১৬ • ভিউ: ৩১ • ২৭ অক্টোবর, ২০২২

আসসালামু আলাইকুম। হজ্জ বিষয়ে আমি একটি দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়েছি। ২০১৭ সালে আলহামদুলিল্লাহ আমি হজ পালন করেছি। ২০১৯ সালে আমার স্ত্রী ইচ্ছা জ্ঞাপন করেন যে ২০২৩ সালে আমাকে সাথে নিয়ে উনি হ…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু আলাইকুম। হজ্জ বিষয়ে আমি একটি দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়েছি। ২০১৭ সালে আলহামদুলিল্লাহ আমি হজ পালন করেছি। ২০১৯ সালে আমার স্ত্রী ইচ্ছা জ্ঞাপন করেন যে ২০২৩ সালে আমাকে সাথে নিয়ে উনি হজ পালন করবেন। ২০১৯ সালের প্রেক্ষাপটে আমরা চিন্তা করি যে ২০২৩ সালে আমাদের খরচ পড়বে জনপ্রতি সাড়ে চার লাখ টাকা। কিন্তু এবার হজের খরচ যখন জানানো হয়, কোভিড এবং বিভিন্ন কারণে দেখা যাচ্ছে যে খরচ বেড়ে জনপ্রতি সাড়ে আট লাখ টাকা হয়ে গিয়েছে। হজের এ খরচ আমার এখন বহন করা বেশ অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমি যদি আমার একটি অ্যাসেট বিক্রি করি এবং কিছু ধার করি, তবে এবার হজ পালন করা সম্ভব ইনশাআল্লাহ। আমার স্ত্রী তার দেনমোহরের একটি অংশ সাড়ে চার লাখ টাকা রেখে দিয়েছিল হজের জন্য কিন্তু তা এখন হজের খরচের জন্য অপ্রতুল। আমি এবার হজ করছি আমার মৃত শাশুড়ির নামে। আমার জন্য এই হজ একটি নফল ইবাদত বলে গণ্য হবে মনে হয়। আমি কি ধার করে হজ করব নাকি আগামী বছরের জন্য প্রস্তুতি নিব?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি যেহেতু হজ্জ করেছেন সেহেতু আপনার জন্য আর হজ্জ ফরজ নয়। আপনি আপনার শাশুড়ির নামে হজ্জ্ব যে কোন সময় করতে পারেন।

আপনার স্ত্রীর উপর যদি হজ্জ্ব ফরজ হয়ে থাকে তাহলে ধার করে হজ্জ্ব যেতে কোন সমস্যা নেই। ফরজ হলে বিলম্ব করার সুযোগ নেই। হজ্জ্ব ফরজ অবস্থায় মারা গেলে বড় গুনাহ হয়।

তবে মহিলাদের জন্য হজ্জ্ব ফরয হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো মাহরাম কারো সাথে হজ্জ্ব করতে হবে। যদি মাহরাম কাউকে না পায় তাহলে হজ্জ্ব ফরজ হয় না। আপনার স্ত্রীর মাহরাম কোন আত্মীয় যদি এবার হজ্জ্বে যান তাহলে তার সাথে আপনার স্ত্রী যেতে পারেন।

আর যদি সেটা সম্ভব না হয়, আর পরবর্তী বছর আপনি যান তাহলে পরবর্তী বছর আপনার সাথে আপনার স্ত্রী যেতে পারে।

সবচেয়ে ভালো হলো যদি তার হজ্জ্ব ফরজ হয়ে থাকে তাহলে কিছু টাকা ধার করে হলেও আপনি তাকে হজ্জ্ব নিয়ে যাবেন। পরবতীর্তে পরিষোধ করে দিবেন। আর প্রতি বছরই হজ্জ্বে খরচ বাড়ছে। সুতরাং দেরী না করা সব দিকে দিয়ে সর্বোত্তম হবে।