ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
‘আলী (রাঃ) বলেন: مَنْ لَمْ يُصَلِّ فَهُوَ كَافِرٌ ‘‘যে নামায পড়ে না সে কাফির’’। (বায়হাকী, হাদীস ৬২৯১) আব্দুল্লাহ বিন্ মাসঊদ (রাঃ) বলেন: مَنْ لَمْ يُصَلِّ فَلَا دِيْنَ لَهُ ‘‘যে নামায পড়ে না …
প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
‘আলী (রাঃ) বলেন: مَنْ لَمْ يُصَلِّ فَهُوَ كَافِرٌ ‘‘যে নামায পড়ে না সে কাফির’’। (বায়হাকী, হাদীস ৬২৯১) আব্দুল্লাহ বিন্ মাসঊদ (রাঃ) বলেন: مَنْ لَمْ يُصَلِّ فَلَا دِيْنَ لَهُ ‘‘যে নামায পড়ে না তার কোন ধর্ম নেই। (বায়হাকী, হাদীস ৬২৯১) উপরুক্ত হাদীসদ্বয় কি নির্ভরযোগ্য?
উত্তর
Published
সাহাবীদের বক্তব্যকে আছার বলা হয়। উপরুক্ত আছারদ্বয় নির্ভরযোগ্য। প্রথম আছারটির সনদ দূর্বল হলেও বক্তব্য সঠিক। সহীহ হাদীসেও এই ধরণের কথা উল্লেখ আছে।
বুরায়দা বিন হুছাইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি নবী সা. বলেন,
الْعَهْدُ الَّذِيْ بّيْنَناَ وَبَيْنَهُمْ الصّلاَةُ فَمَنْ تَرِكَهاَ فَقَدْ كَفَرَ“তাদের মাঝে এবং আমাদের মাঝে চুক্তি হচ্ছে নামাযের, যে ব্যক্তি নামায পরিত্যাগ করবে সে কাফের হয়ে যাবে।” সুনানু ইবনু মাজাহ হাদীস নং ১০৭৯। হাদীসটি সহীহ ।
عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ " .।
আবু সুফিয়ান বলেন, আমি জাবির (রাঃ)কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন,, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬।
বুরায়দা বিন হুছাইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি নবী সা. বলেন,
الْعَهْدُ الَّذِيْ بّيْنَناَ وَبَيْنَهُمْ الصّلاَةُ فَمَنْ تَرِكَهاَ فَقَدْ كَفَرَ“তাদের মাঝে এবং আমাদের মাঝে চুক্তি হচ্ছে নামাযের, যে ব্যক্তি নামায পরিত্যাগ করবে সে কাফের হয়ে যাবে।” সুনানু ইবনু মাজাহ হাদীস নং ১০৭৯। হাদীসটি সহীহ ।
عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ " .।
আবু সুফিয়ান বলেন, আমি জাবির (রাঃ)কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন,, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬।