QA As Sunnah Q&A

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরাহ আম্বিয়ার ৯১ নাম্বার আয়াতে বলেছেন " অতপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম.." আর আমরা জানি খ্রিস্টানরা দাবি করে ঈসা (আঃ) আল্লাহর পুত্র বা অবতার। আর উপরুক্ত আয়…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
আকীদা • প্রশ্ন #৬১৭৫ • ভিউ: ২২ • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরাহ আম্বিয়ার ৯১ নাম্বার আয়াতে বলেছেন " অতপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম.." আর আমরা জানি খ্রিস্টানরা দাবি করে ঈসা (আঃ) আল্লাহর পুত্র বা অবতার। আর উপরুক্ত আয়…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সুরাহ আম্বিয়ার ৯১ নাম্বার আয়াতে বলেছেন " অতপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম.." আর আমরা জানি খ্রিস্টানরা দাবি করে ঈসা (আঃ) আল্লাহর পুত্র বা অবতার। আর উপরুক্ত আয়াতটি তো অনেকটা তাদের দাবির সাথে মিলে যাচ্ছে। তাই বিষয়টি বুঝতে কষ্ট হচ্ছে আমার। দয়া করে একটু বুঝিয়ে বলবেন।
উত্তর
Published

আল্লাহ তায়ালা ইসা আলাইহিস সালামের প্রতি বিশেষ সম্মান হিসেবে এই শব্দ ব্যবহার করেছেন। মসজিদকে সম্মানের জন্য যেভাবে বলা হয় আল্লাহর ঘর, এটাও তেমন। কোন কিছুকে আল্লাহর দিকে সম্পর্কীত করা হলে তার মর্যাদা বাড়ে।

শুধু ইসা আলাইহিস সালাম নয়, আদম আলাইহিস সালাম সম্পর্কেও আল্লাহ তায়ালা এমন বল فَاِذَا سَوَّیۡتُهٗ وَ نَفَخۡتُ فِیۡهِ مِنۡ رُّوۡحِیۡ فَقَعُوۡا لَهٗ سٰجِدِی

“আমি মাটি থেকে একটি মানুষ তৈরী করছি। কাজেই যখন আমি তাকে পূর্ণরূপে তৈরী করে নেবো এবং তার মধ্যে নিজের রূহ ফুঁকে দেবো। তখন (হে ফেরেশতারা!) তোমরা তার সামনে সিজদায় অবনত হয়ে যাবে।” [সূরা সাদঃ ৭১–৭২]

সুতরাং এই আয়াত থেকে খৃষ্টানদের কোন দাবী প্রমাণ হয় নামহান আল্লাহ ঈসা আলাইহিস সালাম ও আদমের আলাইহিস সালামের জন্মকে পরস্পরের সদৃশ গণ্য করেন। তাই অন্য সূরায় আল্লাহ বলেনاِنَّ مَثَلَ عِیۡسٰی عِنۡدَ اللّٰهِ کَمَثَلِ اٰدَمَ ؕ خَلَقَهٗ مِنۡ تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهٗ کُنۡ فَیَکُوۡنُ “ঈসার দৃষ্টান্ত আল্লাহর কাছে আদমের মতো, যাকে আল্লাহ মাটি থেকে তৈরী করেন তারপর বলেন, “হয়ে যাও” এবং সে হয়ে যায়। [সূরা আলে ইমরানঃ ৫৯]

এসব আয়াত নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করলে একথা বুঝা যায় যে, স্বাভাবিক সৃষ্টি পদ্ধতির পরিবর্তে যখন আল্লাহ কাউকে নিজের হুকুমের সাহায্যে অস্তিত্বশীল করে জীবন দান করেন তখন একে “নিজের রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছি” শব্দাবলীর সাহায্যে বিবৃত করেন। এ রূহের সম্পর্ক আল্লাহর সাথে সম্ভবত এ জন্য করা হয়েছে যে, এর ফুঁকে দেয়াটা অলৌকিক ধরনের। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এছাড়া কুরআনের বহু আয়াতে খৃষ্টানদের এই দাবীকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েঃ َ ন,ছে। ۡنেছে