ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম। আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। এখানে একটি মসজিদ আছে এবং এই মসজিদে একটি মাসিক আমল হয় আর সেটা হলো যে প্রতি মাসে সোমবার আসরের নামাযের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত একসাথে অনেকজন মি…
প্রশ্নকারী: Raihan012023
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম। আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। এখানে একটি মসজিদ আছে এবং এই মসজিদে একটি মাসিক আমল হয় আর সেটা হলো যে প্রতি মাসে সোমবার আসরের নামাযের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত একসাথে অনেকজন মিলে কুরআন খতম করে এবং ইয়া সামিয়ু আল্লাহর এই নামটি এক লাখ পঁচিশ হাজার বার পড়ে। আর মাগরিবের পর কিছু সময় দীনী আলোচনা হয়। এবং ইমাম সাহেব এই আমলে থাকার জন্য অনুরোধ করেন আর বলেন যদি কারো ব্যস্ততা না থাকে তাহলে সে যেন এই আমলে শরিক হয় এমনকি তিনি নিজেও এই আমলে থাকেন। এ বিষয়ে আমি জানার জন্য ইমাম সাহেবের সাথে আলোচনা করলে তিনি বলেন যে এটা করা হয় বরকতের জন্য অর্থাৎ কোম্পানির সকলের বরকতের জন্য। এই আমল করা কি ঠিক হবে। কুরআন ও হাদীসে কি এরকম কিছু করার কথা বলা আছে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য এই আমল এই নিয়মে করা আবশ্যক, এমন বিশ্বাস যদি না থাকে তাহলে এই আমল করতে সমস্যা নেই, এটা জায়েজ। তবে এভাবে নিয়মিত করলে সেখানকার মানুষের মধ্যে এটা বদ্ধমূল হতে পারে যে, এটা মনে হয় হাদীসে বর্ণিত কোন আমল, অথচ এটা হাদীসে বর্ণিতে কোন আমল নয়। সুতরাং নিয়মিত এমনটা না করে মাঝে মধ্যে করলে সেটা সবচেয়ে উত্তম হবে। কুরআন তেলাওয়াত বরকতের কারণ এই হিসেবে মাঝে মধ্যে এটা করা যেতে পারে। তাছাড়া ১ লাখ ২৫ হাজার বারেরও বিশেষ কোন ফজিলত নেই। কম-বেশী করতে কোন সমস্যা নেই। কম-বেশী করা যাবে না, এমনটা মনে করা চলবে না।