ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম শায়েখ, আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমার প্রস্রাব নিয়ে সমস্যা আছে। সাধারণত রাসূলের হুকুম মোতাবেক প্রস্রাব করার পর যদি 40 কদম দেয়া হয় ছেলেদের ক্ষেত্রে তবে সব প্রস্রাব নির্গত …
প্রশ্নকারী: Forhadkariim
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম শায়েখ, আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমার প্রস্রাব নিয়ে সমস্যা আছে। সাধারণত রাসূলের হুকুম মোতাবেক প্রস্রাব করার পর যদি 40 কদম দেয়া হয় ছেলেদের ক্ষেত্রে তবে সব প্রস্রাব নির্গত হয়ে যায়। কিন্তু আমি যদি 40 কদম এর জায়গায় 200 - 300 কদম ও দিই, প্রায় আট দশ মিনিট ধরে হাঁটতে থাকি , এরপর টিস্যু ব্যবহার করে ফেলে দেই। পরক্ষণে যদি আরও ২০ মিনিট পর আরও হাঁটাহাঁটি করার পর আবার চেক করি, তো আমার এক ফোঁটা প্রস্রাব চলে আসতে দেখা যায়।
ইদানিং এই সমস্যাটা আমার আরো বেশি বেড়ে গিয়েছে। এখন যদি আমি প্রস্রাব করার পর প্রায় 20 মিনিট হাঁটাচলা করি এরপর টিস্যু ব্যবহার করে আমি ওযু করে মসজিদে যাই নামায পরতে, নামায থেকে ফিরে এসে যদি চেক করি তাহলে দেখা যায় আমার এক ফোঁটা প্রস্রাব এসেছে। (উল্লেখ্য যে, এই তরল জিনিসটা প্রস্রাবই, কোন রকম অদি বা মজি নয়। আমি বেশ কয়েকবার চেক করে দেখেছি এর ঘনত্ব।) এক্ষেত্রে আমার করনীয় কি? আমি কিভাবে পাক পবিত্র হব? আমার এই সমস্যার জন্য আমার নামায কাযা হচ্ছে।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মনে হচ্ছে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আপনি প্রতি নামাযের ওয়াক্তে পেশাব থেকে সাধ্যমত পবিত্রতা অর্জন করে পবিত্র কাপড়ে নামায আদায় করবেন। পবিত্রতা অর্জন করার পর পেশাব পড়লেও এটা ক্ষমা করা হবে ওযরের কারণে। নামায কাযা করবেন না। প্রতিটি ওয়াক্তের জন্য সাধ্যমত পেশাব থেকে পবিত্রতা অর্জন করে নিবেন, এরপর ঐ ওয়াক্তের সকল ফরজ ও সুন্নাত নামায আদায় করবেন। আর এই বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন, আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা দান করুন।