ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম শাইখ, আমি জানতে চাই কোন মহিলার স্বামী চাকুরীর সুবাদে ৬ মাস স্ত্রী থেকে দূরে থাকে। সেক্ষেত্রে এই দূরত্বের জন্য তাদের বিবাহ বাতিল হবে কি না? বা এই ব্যাপারে ইসলাম কি বলে? একজন…
প্রশ্নকারী: Tf Mehanaz
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম শাইখ, আমি জানতে চাই কোন মহিলার স্বামী চাকুরীর সুবাদে ৬ মাস স্ত্রী থেকে দূরে থাকে। সেক্ষেত্রে এই দূরত্বের জন্য তাদের বিবাহ বাতিল হবে কি না? বা এই ব্যাপারে ইসলাম কি বলে? একজন স্বামী তার স্ত্রী থেকে সর্বোচ্চ কতদিন দূরে থাকতে পারবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, বিবাহ বাতিল হবে না।
স্বামী ওযরের কারনে বা নিজের অথবা পরিবারের ফরজ (জিবিকা উপার্জন) আদায়ের জন্য স্ত্রী থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকলে পাপী বা শাস্তির যোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে না। আর ওযর বা কোন ফরজ আদায়ের জন্য যদি না হয় তাহলে স্ত্রীর থেকে অনুমতি নিতে হবে, অনুমতি দিলে দীর্ঘ সময় দুরে থাকা যাবে। অন্যথায় দীর্ঘ সময় দুরে থাকার কারনে স্ত্রীর হক্ব নষ্টকারী হিসাবে পাপী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে। আর স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ৪/৬ মাস দুরে থাকা যাবে।
عن بن عمر قال : خرج عمر بن الخطاب رضي الله عنه من الليل فسمع امرأة تقول تطاول هذا الليل واسود جانبه وأرقني أن لا حبيب ألاعبه فقال عمر بن الخطاب رضي الله عنه لحفصة بنت عمر رضي الله عنها كم أكثر ما تصبر المرأة عن زوجها فقالت ستة أو أربعة أشهر فقال عمر رضي الله عنه لا أحبس الجيش أكثر من هذا
ওমর (রা:) তার মেয়ে হাফসাকে (রা:) জিজ্ঞাসা করলেন মেয়েরা সর্বোচ্চ কতদিন স্বামী থেকে দুরে থাকতে পারে? তখন হাফসা (রা:) বললেন ৪/৬ মাস, উমর (রা:) বললেন, আমি কাউকে ৪/৬ মাসের বেশী সেনাবাহিনীতে আটকিয়ে রাখবনা। (বায়হাক্বী, সুনান, হাদীস নং ১৭৬২৮) তবে সর্বাবস্থা স্ত্রীকে বুঝিয়ে অনুমতি নিয়ে যাওয়া ভালো।
স্বামী ওযরের কারনে বা নিজের অথবা পরিবারের ফরজ (জিবিকা উপার্জন) আদায়ের জন্য স্ত্রী থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকলে পাপী বা শাস্তির যোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে না। আর ওযর বা কোন ফরজ আদায়ের জন্য যদি না হয় তাহলে স্ত্রীর থেকে অনুমতি নিতে হবে, অনুমতি দিলে দীর্ঘ সময় দুরে থাকা যাবে। অন্যথায় দীর্ঘ সময় দুরে থাকার কারনে স্ত্রীর হক্ব নষ্টকারী হিসাবে পাপী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে। আর স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ৪/৬ মাস দুরে থাকা যাবে।
عن بن عمر قال : خرج عمر بن الخطاب رضي الله عنه من الليل فسمع امرأة تقول تطاول هذا الليل واسود جانبه وأرقني أن لا حبيب ألاعبه فقال عمر بن الخطاب رضي الله عنه لحفصة بنت عمر رضي الله عنها كم أكثر ما تصبر المرأة عن زوجها فقالت ستة أو أربعة أشهر فقال عمر رضي الله عنه لا أحبس الجيش أكثر من هذا
ওমর (রা:) তার মেয়ে হাফসাকে (রা:) জিজ্ঞাসা করলেন মেয়েরা সর্বোচ্চ কতদিন স্বামী থেকে দুরে থাকতে পারে? তখন হাফসা (রা:) বললেন ৪/৬ মাস, উমর (রা:) বললেন, আমি কাউকে ৪/৬ মাসের বেশী সেনাবাহিনীতে আটকিয়ে রাখবনা। (বায়হাক্বী, সুনান, হাদীস নং ১৭৬২৮) তবে সর্বাবস্থা স্ত্রীকে বুঝিয়ে অনুমতি নিয়ে যাওয়া ভালো।