ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, রমাদান মাসে সফর করলে কি সিয়াম পালন করতেই হবে? সফররত অবস্থায় সালাত আদায়ের নিয়ম বিস্তারিত জানতে চায়, বিশেষত যোহরের চার রাকাত ফরয সালাতে একাকী আদায় করলে জামাতের ইমামের মতো জো…
প্রশ্নকারী: Shaikhrishat9
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, রমাদান মাসে সফর করলে কি সিয়াম পালন করতেই হবে? সফররত অবস্থায় সালাত আদায়ের নিয়ম বিস্তারিত জানতে চায়, বিশেষত যোহরের চার রাকাত ফরয সালাতে একাকী আদায় করলে জামাতের ইমামের মতো জোরে তাকবির দিতে হবে কী? আর ১ম বৈঠকেই তাশাহুদ পড়ার পর দরুদ ও দোয়া পড়ে সালাম ফেরাতে হবে কী? একাকী এশার সালাতে কি সশব্দে কিরাত পড়তে হবে ১ম ২ রাকাতে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যদি ৪৮ মাইল বা তার চেয়ে বেশী কোন জায়গায় সফর করেন তাহলে পথের মাঝে মুসাফির হিসেবে গণ্য হবেন। সফর করে যেখানে যাবেন সেখানে যদি ১৫ দিনের চেয়ে কমত থাকার নিয়ত করেন তাহলে মুসাফির হিসেবে গণ্য হবেন। মুসাফিরের জন্য সুযোগ আছে সফর অবস্থায় সিয়াম না রেখে বাড়ি আসার পর না রাখা সিয়ামগুলো কাজা করা। যদি সিয়াম রাখে তাহলে আদায় হয়ে যাবে।
একাকী সালাত আদায় করলে তাকবীর ও সূরাগুলো জোরে পড়াও যায় বা নিঃশব্দেও পড়া যায়। জোরের জায়গায় জোরে বলা এবং আস্তের জায়গায় আস্তে পড়া এটা জামাতে সালাতের ক্ষেত্রে আবশ্যক। একা একা সালাত আদায় করলে আস্তে বলারও সুযোগ আছে।
সফর অবস্থায় চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযগুলো একাকী আদায় করলে দুই রাকআত পড়তে হয়। দুই রাকআতে বসে তাশাহুদু, দরুদ ও দুআ মাসূরা পড়ে সালাম ফিরাতে হবে।
আর স্থানীয় ইমামের পিছনে আদায় করলে পুরো চার রাকআতাই আদায় করতে হবে।
একাকী সালাত আদায় করলে তাকবীর ও সূরাগুলো জোরে পড়াও যায় বা নিঃশব্দেও পড়া যায়। জোরের জায়গায় জোরে বলা এবং আস্তের জায়গায় আস্তে পড়া এটা জামাতে সালাতের ক্ষেত্রে আবশ্যক। একা একা সালাত আদায় করলে আস্তে বলারও সুযোগ আছে।
সফর অবস্থায় চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযগুলো একাকী আদায় করলে দুই রাকআত পড়তে হয়। দুই রাকআতে বসে তাশাহুদু, দরুদ ও দুআ মাসূরা পড়ে সালাম ফিরাতে হবে।
আর স্থানীয় ইমামের পিছনে আদায় করলে পুরো চার রাকআতাই আদায় করতে হবে।