QA As Sunnah Q&A

রমাজানের বাইরে স্বপ্নদোষ হলে যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়, রমাজানেও কি একই? এখানে আমার জানার বিষয় হলো, অনেকে ফরজ গোসল করার ক্ষেত্রে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয়ার সময় স্বাভাবিক থেকে অনেক গভী…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
পবিত্রতা • প্রশ্ন #৬২৬০ • ভিউ: ৭৮ • ২০ মার্চ, ২০২৩

রমাজানের বাইরে স্বপ্নদোষ হলে যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়, রমাজানেও কি একই? এখানে আমার জানার বিষয় হলো, অনেকে ফরজ গোসল করার ক্ষেত্রে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয়ার সময় স্বাভাবিক থেকে অনেক গভী…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত

রমাজানের বাইরে স্বপ্নদোষ হলে যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়, রমাজানেও কি একই? এখানে আমার জানার বিষয় হলো, অনেকে ফরজ গোসল করার ক্ষেত্রে কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয়ার সময় স্বাভাবিক থেকে অনেক গভীরে পানি পৌঁছাতে বলে। এক্ষেত্রে রমাজানের বাইরে তো সম্ভব কিন্তু রোযা অবস্থায় এটা করতে গেলে রোযার ক্ষতি হতে পারে। এই অবস্থায় কি করবো? গভীরে পানি পৌঁছাতে বলাটি কি মাসায়েল অনুযায়ী স্বতসিদ্ধ নাকি দুর্বল?

উত্তর
Published
রমাজান মাসে কুলি ও নাকি পানি দেয়ার কাজটি হালকাভাবে করতে হবে। গভীরে পানি দেয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, بالغ في الاستنشاق، إلا أن تكون صائما ভালোভাবে নাকে পানি দাও তবে রোযা অবস্থায় নয়। -সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ২৩৬৬ । হাদীসটি সহীহ। সুতরাং রোজার বাইরে ভালোভাবে গভীরে পানি পৌঁছাতে হবে, রোজা রাখার সময় হালকা করে পানি দিতে হবে।
✅